• রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩০ সকাল

শামীম ওসমান: নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ মানে আগুন

  • প্রকাশিত ১০:৪২ রাত সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯
শামীম ওসমান
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের নবাব সলিমুল্লাহ সড়কে ‘রুখে দাঁড়াও স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে’ শীর্ষক এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন এমপি শামীম ওসমান। ঢাকা ট্রিবিউন

'নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জটা আওয়ামী লীগের গোপালগঞ্জ'

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, "নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ মানে আগুন। আগুন নিয়ে খেলা করবেন না। কারণ পারবেন না। নিশ্চিত থাকেন। জিয়া পারে নাই, এরশাদ পারে নাই, খালেদা জিয়া পারে নাই আর এটা তো শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।"

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর নবাব সলিমুল্লাহ সড়কে ‘রুখে দাঁড়াও স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে’ শীর্ষক এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান বলেন, "২১ বছর লেগেছে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসতে। এর মধ্যে অন্তত ৬০ জন ভাইয়ের লাশ আমরা দাফন করেছি। নারায়ণগঞ্জে শেখ হাসিনার পক্ষে  স্লোগান দেয়ার অপরাধে মাত্র ১২ দিন আগে বিয়ে হওয়া মনিরকে লাশ হতে হয়েছে। সলিমুল্লাহ সড়কে তাকে গুলি করা হলো। আমরা রাজপথে নেমেছিলাম। আমরা পাল্টা গুলি করতে নামি নাই।"

"কিন্তু নেত্রী ডাক দেন কোন অপশক্তির বিরুদ্ধে ডাক দেন, যদি স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে বলেন তাহলে আমাদের ঝাপিয়ে পড়তে হবে। তার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে", যোগ করেন তিনি।

এসময় দেশব্যাপী স্বাধীনতা বিরোধীদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, "রোহিঙ্গাদের কোরবানির ঈদে মাংস বিতণের নাম করে একটি এনজিও অস্ত্র বিতরণ করে আসছে। সম্প্রীতির দেশ বাংলাদেশের নামে দেশের বাইরে প্রিয়া সাহা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নালিশ করেছে। কে পাঠিয়েছে তাকে?  গায়ে চর্বি জমালে হবে না। আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

সিদ্ধিরগঞ্জে গণপিটুনিতে বাকপ্রতিবন্ধী সিরাজ হত্যা মামলা প্রসঙ্গে শামীম ওসমান বলেন, "সিদ্ধিরগঞ্জটা আওয়ামী লীগের গোপালগঞ্জ। সেখানে সিরাজকে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৪৯৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে ১নং ওয়ার্ডে। ১ থেকে ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের এই মামলার আসামি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭০ ভাগ আওয়ামী লীগ নেতা আর ৩০ ভাগ স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বড় ব্যবসায়ী। আমি জনপ্রতিনিধি। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছি।" 

ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির জেলা কমিটির সভাপতি চন্দনশীলের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, য্গ্মু সম্পাদক আবু জাফর চৌধুরী বীরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল,  মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা প্রমুখ।