• রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩০ সকাল

রওশন এরশাদ বিরোধীদলীয় নেতা, জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • প্রকাশিত ১১:৫৯ সকাল সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৯
জাপা

রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফ করেন পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা

গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন আর বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করবেন বেগম রওশন এরশাদ এমপি। এছাড়া রংপুর-০৩ আসনে প্রার্থীতা চুড়ান্ত করবেন পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিব।

রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফ করেন পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা।

তিনি বলেন, গতরাতে জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের এক বৈঠকে দলকে ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি দলেই কিছু মানুষ থাকে যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। ফায়দা লুটতে চায় পার্টির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, প্রতিটি পরিবারেই ঝামেলা সৃষ্টি হয়, আবার সবাই মিলে তা সমাধানও করা হয়। জাতীয় পার্টিতে সবাই ঐক্যবদ্ধ আছে। কোন বিভাজন নেই জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে। চেয়ারম্যানের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩০ নভেম্বর জাতীয় পার্টির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, এ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, এস.এম. ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর, আলমগীর সিকদার লোটনসহ প্রমুখ।

গত একসপ্তাহ ধরে জাপার চেয়ারম্যান ও সংদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় জিএম কাদের ও রওশন এরশাদের মধ্যে। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে জাপার একাংশ রওশন এরশাদকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করে। পরবর্তী সময়ে ওইদিনই সংবাদ সম্মেলন ডেকে জিএম কাদের বলেন, “রওশন এরশাদকে সম্মান করি, যতটুকু শুনেছি, তিনি নিজে থেকে নিজের কথা বলেননি। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে অস্থির হওয়ার কিছু নেই। জাপা ভাঙেনি। কোনও ভাঙনের মুখে পড়েনি। যেকোনও ব্যক্তি যেকোনও ঘোষণা দিলেই তো তা বাস্তবায়িত হয় না।”

এরআগে, মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে দলীয় প্যাডে নিজেকে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার পদে নিয়োগ দিতে স্পিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেন জিএম কাদের। এরপর দিন বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) জিএম কাদেরের চিঠির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তা গ্রহণ না করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন রওশন এরশাদ। এরই মধ্যে দিয়ে মূলত জাপায় গৃহবিবাদ শুরু হয়।