• মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৮ দুপুর

আবরার হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি ছাত্রলীগের

  • প্রকাশিত ০২:০১ দুপুর অক্টোবর ৯, ২০১৯
আবরার হত্যা
বুধবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারের মর্মান্তিক হত্যাকা্ণ্ডে বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। মেহেদি হাসান/ঢাকা ট্রিবিউন/

‘একটি কুচক্রী মহল আবরার হত্যার ঘটনায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। দেশবিরোধী চুক্তির ধোঁয়া তুলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশকে হেয়-প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এটা মেনে নিতে পারে না’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় লজ্জা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এসময় ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করারও দাবি জানান তারা।

বুধবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে খুনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা পরিচালনার দাবি জানায় ছাত্রলীগ।

এপ্রসঙ্গে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান বলেন, “ছাত্রলীগ কোনো অন্যায় অপকর্মের প্রশ্রয় ও উৎসাহ দেয় না, দেবেও না। আবরার হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের প্রশ্রয় দেওয়া হয়নি। সাংগঠনিকভাবে তাদের ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুব দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এর বাইরে আর কারও সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাদেরও যেন খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ছাত্রলীগ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।”

তিনি বলেন, “একটি কুচক্রী মহল আবরার হত্যার ঘটনায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। দেশবিরোধী চুক্তির ধোঁয়া তুলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। কিছু নামসর্বস্ব সংগঠন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এটা মেনে নিতে পারে না। ”

এঘটনা প্রকাশিত হওয়ার পরই বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয় জানিয়ে জয় বলেন, “ছাত্রলীগ এধরনের সহিংসতাকে কখনই জায়গা দেবে না।”

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, “ঘটনার পরপরই ছাত্রলীগ ব্যবস্থা নিয়েছে, ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। এখন তারা লজ্জা প্রকাশ করছে। সেইসঙ্গে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আজ তিনি বার্তা দিতে চান, কোনো ধরনের অপকর্ম, আপত্তিকর ঘটনার দায় সংগঠন নেবে না। কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংগঠনে অনুপ্রবেশ করে থাকলে তারা যেন কেটে পড়েন। কোনো ধরনের অপরাধকে ছাত্রলীগ প্রশ্রয় দেবে না।”