• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪১ দুপুর

খন্দকার মাহবুব: অবৈধ নির্বাচনের প্রতিবাদ করতে না পারা আমাদের ব্যর্থতা

  • প্রকাশিত ০২:২৯ দুপুর অক্টোবর ২৬, ২০১৯
খন্দকার মাহবুব হোসেন
বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

'আমাদের দুর্ভাগ্য, রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরোধী দল থেকে যে ধরনের নেতৃত্ব আসার কথা ছিল তা আসে নাই'

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে 'অবৈধ' উল্লেখ করে এর প্রতিবাদ না করতে পারাকে বিএনপির ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেছে, "একটি নির্বাচনের নামে ভোট ডাকাতি হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করতে পারলাম না এই অবৈধ নির্বাচনের বিরুদ্ধে। এটা আমাদের ব্যর্থতা, আমাদের দুর্ভাগ্য।" 

শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আইনজীবী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার মাহবুব বলেন, "এই সরকার দুর্নীতি, লুট, গুমসহ কোনও কুকর্মই বাদ দেয় নাই। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরোধী দল থেকে যে ধরনের নেতৃত্ব আসার কথা ছিল তা আসে নাই। আমরা সেই কারণে ক্ষুব্ধ। একটি সরকার দেশের ওপর অত্যাচার, অনাচার, অবিচার করে যাচ্ছে। আমরা প্রেস ক্লাবে বক্তব্য দেওয়া ছাড়া জনগণকে নিয়ে রাজপথ উত্তপ্ত করতে পারিনি।"

আইনজীবী সমাজ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "এই অবৈধ সরকারের কোনও বৈধতা নাই। জনগণ তাদের ভোট দেয়নি। সাংবিধানিকভাবে তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকার নেই। আজকে এই সমাবেশ থেকে আমরা দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। তারপর নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে বৈধ সরকার গঠন করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে জনগণকে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করবো সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত।"

অনেকক্ষেত্রে বিএনপি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বলে স্বীকার করে বিএনপির এই নেতা বলেন, "আমাদের চেয়ারপারসন মিথ্যা মামলায় কারাগারে, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই অনেক ক্ষেত্রে আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে পারলে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন বানচাল করে নতুন নির্বাচনের দাবি করতে পারতাম। আমাদের দুর্ভাগ্য, সেটা আমরা পারি নাই। সারা বাংলাদেশে আমাদের জাতীয়তাবাদী শক্তি উজ্জীবিত আছে, হাজার হাজার কর্মী আছে। তাদের নিয়ে আমরা মাঠে নামবো।"

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।