• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২১ দুপুর

সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৩০

  • প্রকাশিত ০৪:০১ বিকেল ডিসেম্বর ৮, ২০১৯
সিরাজগঞ্জ
রবিবার (৮ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে আয়োজিত এক বিজয় র্যালিতে হামলার ঘটনায় দফায় দফায় ইট-প্যাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ঢাকা ট্রিবিউন

সংঘর্ষটি নিয়ন্ত্রণে আনতে সদর থানা পুলিশ অর্ধশতাধিক রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে আয়োজিত এক বিজয় র‌্যালিতে  হামলার ঘটনায় দফায় দফায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের পূর্বদিকে কালিবাড়ি-ইলিয়ট ব্রিজ রোডে এই ঘটনা ঘটে। 

এরই জের ধরে জেলা আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের একপর্যায়ে কালিবাড়ি রোডে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, বেশ কয়েকটি দোকানপাটে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে সদর থানা পুলিশ অর্ধশতাধিক রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে উভয়দলের নেতাকর্মী ও পুলিশসহ কমপক্ষে ৩০জন আহত হন। আহতদেরকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুপুর সোয়া ১টার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন বলেন, “সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে একটি বিজয় র‌্যালি বের হয়। এসময় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের কতিপয় সন্ত্রাসী নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালায়। এরই একপর্যায়ে তারা পুলিশের সাথেও দফায় দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। তাদের হামলায় আমাদের ১৫জনের মতো নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।”

অপরদিকে, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু স্থানীয় নেতাকর্মীদের বরাদ দিয়ে জানান, “বিজয় র‌্যালি থেকে সরকারি দলীয় উস্কানিমূলকভাবে বিএনপি’র লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমাদের কমপক্ষে ১০/১২ জন নেতাকর্মীর ওপর গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। পুলিশের সাহায্য নিয়ে তারা তারা জেলা বিএনপির পার্টি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ইলিয়ট ব্রিজ রোডের বেশ ক’টি দোকানপাট ভাংচুর করে। বিষয়টি ন্যাক্কারজনক। পুলিশ যদি বরাবরই একদলের পক্ষে কাজ করে তাহলে গণতন্ত্র থাকে কোথায়?”

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি, অপরাধ) মোঃ ফোরকান শিকদার বলেন, “পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে বিএনপি’র লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালায় ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ ক’জন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।”