• মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪৮ সকাল

ভিপি নুরের উপর হামলা: ৪ দফা দাবি সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্যের

  • প্রকাশিত ১০:০৭ রাত ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯
সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য
শুক্রবার মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করেন নবগঠিত "সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্যের"নেতারা। ইউএনবি

ঢাবি প্রক্টরের পদত্যাগও দাবি করেছেন নবগঠিত এই ছাত্রসংগঠনটির নেতারা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টরের পদত্যাগসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে নবগঠিত সংগঠন "সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য"।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নসহ  ১২টি ছাত্র সংগঠন একজোট হয়ে ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়।

চার দফা দাবিগুলো হলো- ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও অন্যান্যদের ওপর হামলায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও একাডেমিক বহিষ্কার, ঢাবির প্রক্টরের পদত্যাগ, নুর ও অন্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন।

তিনি বলেন, "ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাম্পাসগুলোতে একটি ভয়ের সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছে। অতিসম্প্রতি তারা ডাকসু ভবনে ঢুকে ভিপি নুরুল হক নুরসহ শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা করেছে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি লাগানো হলেও সিসিটিভি'র ফুটেজ লুকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হামলাকারীদের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করে যাচ্ছে।"

"ঢাবি প্রক্টর হামলাকারীদের হাত থেকে আহতদের বাঁচাতে কোনো ধরনের উদ্যোগ নেননি। এমনকি তিনি হামলাকারীদের পক্ষে কথা বলছেন। আমরা প্রক্টরের প্রদত্যাগ দাবি করছি," যোগ করেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক।

সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আগামী শনিবার রাজু ভাস্কর্য থেকে একটি গণপদযাত্রা করবে বলে ঘোষণা দেয় ছাত্রসংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলন শেষে নতুন এই ছাত্রসংগঠনটির ব্যানারে শাহবাগ মোড় থেকে একটি মিছিল বের হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ২২ ডিসেম্বর দুপুরে ডাকসুতে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা-কর্মীদের সাথে বৈঠক করার সময় হামলার শিকার হন নুরুল হক। হামলায় ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা-কর্মীরাও আহত হন। ছাত্রলীগের একাংশ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কয়েকজন কর্মী তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।