• সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৩ রাত

তথ্যমন্ত্রী: বিএনপি'র সুবিধা করে দিয়েছে ইসি

  • প্রকাশিত ০৮:১২ রাত জানুয়ারী ৯, ২০২০
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি। বাসস

'ইসি'র বিভিন্ন নির্দেশনায় আসন্ন ঢাকা সিটি নির্বাচনে অসুবিধাজনক অবস্থানে আছে আওয়ামী লীগ'

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণায় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা (এমপি) অংশ নিতে পারবেন না বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে নির্দেশনা দিয়েছে তাতে বিএনপি'র সুবিধাজনক হলেও এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অসুবিধায় পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, "ইসির সিদ্ধান্ত হচ্ছে মন্ত্রী, এমনকি, এমপিরাও প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রের অন্যান্য দেশে বিষয়টি এ রকম নয়। ভারতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার সদস্যরা মন্ত্রী হিসেবে পাওয়া সুযোগ-সুবিধা বাদ দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, এমপিরা তো পারেনই। পৃথিবীর অন্যান্য সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশেও এমপি এবং মন্ত্রীরা সরকারি প্রটোকল এবং সুযোগ-সুবিধা বাদ দিয়ে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু আমাদের দেশে ইসির যে নির্দেশনা তাতে মন্ত্রী এমনকি এমপিরাও প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এ নির্দেশনা বিএনপি'কে সুবিধাজনক অবস্থায় নিয়ে গেছে, কিন্তু আওয়ামী লীগের জন্য অসুবিধা হয়েছে।"

"আপনারা দেখেছেন ইসি আমাদের উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রার্থীকে নোটিশ দিয়েছে, বিএনপিকে কিন্তু নোটিশ দেয়নি। এ বিষয়গুলো যদি আমরা দেখি তাহলে দেখা যায় সিইসি বা ইসির যে কার্যক্রম এতে বিএনপি সুবিধাপ্রাপ্ত হয়েছে। তবে, ইসির বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে আওয়ামী লীগ বর্তমানে অসুবিধাজনক অবস্থায় আছে," যোগ করেন তথ্যমন্ত্রী।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, "গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়ার ভেটিং আইন মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করে ফেলেছে। সাংবাদিকদের ‘শ্রমিক’ হিসেবে যে আখ্যা দেয়া হয়েছিল তা সংশোধন করা হয়েছে। সহসাই এটি মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। এ আইন পাস হলে গণমাধ্যমের সাথে যুক্ত সবার আইনি সুরক্ষা দেয়া সম্ভব হবে।"

নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে ড. হাছান বলেন, "আমি আশা করবো সংবাদপত্রের মালিক বা পরিচালনা পরিষদ নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করবে। কারণ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করলে সেখানে যারা কাজ করেন শুধু তারাই লাভবান হবেন না, প্রকৃতপক্ষে পুরো সংবাদপত্র পরিবার লাভবান হবে। এতে করে সাংবাদিকরা কাজ করতে উৎসাহ বোধ করবেন।"

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, তথ্যসচিব কামরুন নাহার, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার এবং ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্য নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।