• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৩৩ রাত

জাপা'র ঝাড়ু মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা

  • প্রকাশিত ০৮:৫২ রাত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০
ছাত্রলীগ-জাতীয় পার্টি
সংঘর্ষের সময় উপজেলা পরিষদের মূল ফটকে থাকা মুজিববর্ষের ক্ষণগণনার ঘড়ি ভাংচুর করা হয়। ঢাকা ট্রিবিউন

সংঘর্ষের সময় উপজেলা পরিষদের মূল ফটকে থাকা মুজিববর্ষের ক্ষণগণনার ঘড়ি ভাংচুর করা হয়

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জাতীয় পার্টির (জাপা) ঝাড়ু মিছিলে হামলা চালিয়ে মুজিবর্ষের ক্ষণগণনার ঘড়ি ভাংচুর  করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ১১ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নুরুন্নবী সরকারের অপসারনের দাবীতে উপজেলা জাতীয় পার্টির  নেতা-কর্মীরা ঝাড়ু– মিছিল বের করেন। হঠাৎ করে মিছিলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে ১১ জন আহত হন।   

সংঘর্ষ চলাকালীন উপজেলা পরিষদের মূল ফটকে থাকা মুজিববর্ষের ক্ষণগণনার ঘড়িটি ভেঙে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। এ সময় জাতীয় পার্টির এক কর্মীকে আটক করে পুলিশ।

সুন্দরগঞ্জ পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুর রশিদ সরকার ডাবলু বলেন, "আমাদের শান্তিপূর্ণ ঝাড়ু মিছিলে হঠাৎ করে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সুমনের নেতৃত্বে অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। তারা আমাদের প্ল্যাকার্ড ছিনিয়ে নিয়ে আমাদেরই মারতে শুরু করে শুরু করে।

তবে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন মিছিলে হামলার কথা অস্বীকার করে জানান,
 "মুজিববর্ষের ক্ষণগনণার ঘড়ি ভাংচুর করার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে পৌঁছে এর প্রতিবাদ করলে গিয়ে আমাদের নেতাকর্মীরা ওই ঘটনার প্রতিবাদ করলে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরাই আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।"

এ প্রসঙ্গে ওসি আব্দুল্লাহিল জামান ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া মুজিব বর্ষের ক্ষণগনণা ঘড়ি ভাংচুরের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফেরদৌস হোসেন বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ১০ নামীয়সহ ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাত আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সোলেমান আলী জানান, "পিআইও নুরুন্নবী সরকারকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। কিন্তু মামলাজনিত কারণে তিনি এখনও সুন্দরগঞ্জে অবস্থান করছেন। এ কারণে আজকের এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।"

তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।