• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩৬ দুপুর

তথ্যমন্ত্রী: দোষ স্বীকার করলে খালেদার মুক্তির আবেদন বিবেচনা করা হবে

  • প্রকাশিত ০৮:১৩ রাত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি/ফোকাস বাংলা

এক সময় তারা বলেন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনে যাবেন, অন্যদিকে তার মুক্তির জন্য আমাদের সাধারণ সম্পাদককে ফোন দেন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দোষ স্বীকার করলে সরকার তার মুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ ময়দানে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, "যদি তিনি (খালেদা জিয়া) তাঁর অপরাধ স্বীকার করে পেরোলে মুক্তির আবেদন করেন তাহলেই সরকার কেবল তার পেরোল বিবেচনা করতে পারে। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়ার কোন কর্তৃত্ব সরকারের নেই। যদি সরকার এই কতৃত্ব খাটাতে চায়, তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে হবে, যা সংবিধান অনুমোদন দেয় না।"

তথ্যমন্ত্রী বলেন, "বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে প্যারোলের কোনো আবেদন করা হয়নি। তার পরিবারের বরাত দিয়ে এক ধরনের কথা, আবার দলের পক্ষ থেকে আরেক ধরনের কথা বলা হচ্ছে। তারা আসলে কি চান, সেটা এখনো তারা স্পষ্ট করতে পারেননি।"

বেগম জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মধ্যে ফোনালাপ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, "তারা (বিএনপি) কি চায় তারা তা জানে না। এক সময় তারা বলেন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনে যাবেন, অন্যদিকে তার মুক্তির জন্য আমাদের সাধারণ সম্পাদককে ফোন দেন।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, "জননেত্রী শেখ হাসিনা জিঘাংসা বা প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না, বরং বিএনপি করে। ২০০৪ সালে বিএনপির আমলে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় তার পুত্র তারেক রহমানের পরিচালনায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। আবার যখন বেগম জিয়ার দ্বিতীয় পুত্র মৃত্যুবরণ করেন, তখন দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেগম জিয়ার বাড়ির দরজায় দশ মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি দরজা খোলেননি। এগুলো আমরা মনে রাখিনি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনে রাখেননি। বেগম জিয়াকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে রেখে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।"

এর আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সামস-উল ইসলামসহ কর্মকর্তা-কর্মচারি ও তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।