• মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৬ দুপুর

তথ্যমন্ত্রী: বিএনপি'ও এখন থেকে জয় বাংলা স্লোগান দেবে

  • প্রকাশিত ১০:৪০ সকাল মার্চ ১১, ২০২০
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি। বাসস

'জয় বাংলা কোনো দলের স্লোগান নয়, জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান'

হাইকোর্ট "জয় বাংলাকে" জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করে রায় দেওয়ায় এখন থেকে বিএনপি'র নেতা-কর্মীদের  এখন এই স্লোগান দিতে আর কোনও বাধা থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, "হাইকোর্ট ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাই। বিএনপিসহ যারা জয় বাংলা স্লোগান দিতে আগে লজ্জা পেত, আমি আশা করি তারা এখন আর জয় বাংলা ম্লোগান দিতে লজ্জা পাবে না। তারাও এখন থেকে জয় বাংলা স্লোগান দেবে।"

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "হাইকোর্ট আজ (মঙ্গলবার) একটি রায় দিয়েছেন জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে গ্রহণের যাতে করে সবাই জয় বাংলা স্লোগান দিতে পারে। এই রায়কে আমরা স্বাগত জানাই। এখন জয় বাংলা স্লোগান দিতে যাদের লজ্জা লাগে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বিএনপিসহ সব বিরোধীদলের জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া উচিত। দেশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান রেখে, সবক্ষেত্রেই আমাদের স্লোগান ছিল জয় বাংলা। জয় বাংলা কোনো দলের স্লোগান নয়, জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান।"

করোনাভাইরাস নিয়ে বিএনপি রাজনীতি শুরু করেছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, "বিএনপি’র উচিত ছিল করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি না করে জনগণের পাশে দাঁড়ানো। এটি একটি বৈশ্বিক দুর্যোগ। এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয়, সমগ্র পৃথিবীব্যাপী দুর্যোগ।"

এসময় মুজিবর্ষ উদযাপন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, "জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য দেশবাসীর পক্ষ থেকে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে সেই প্রোগ্রামগুলো সংকুচিত করেছেন। কোন প্রোগ্রাম বাতিল করা হয়নি।"

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান আরও বলেন, "বিশ্ব নেতারা মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সম্মতি দিয়েছিলেন। তারা আমাদের এব্যাপারে নিশ্চিত করেছিলেন। যেদিন মুজিববর্ষ উদযাপনে বেশি জনসমাগম হওয়া অনুষ্ঠান আপাতত পরিহার করা হলো সেদিনও ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে মোদীর সফর নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছিল।"