Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

১০ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ, ছাত্রলীগের প্রতিবাদ

ইউনিট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এনায়েত এইচ. মনন ও ইমদাদুল হাসান সোহাগের পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করা হয়েছে

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২২, ০৪:১৬ পিএম

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সংলগ্ন আনন্দ বাজার মার্কেটের দোকান মালিকদের কাছ থেকে এককালীন ১০ লাখ ও প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি এবং সেই টাকা না পেয়ে সাতটি দোকান জোরপূর্বক বন্ধ রাখার অভিযোগ ওঠে অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে।

বিষয়টি নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের অনলাইন সংস্করণের বরাতে রবিবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের অনলাইন (বাংলা) সংস্করণে।

দ্য ডেইলি স্টারের বরাতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ঢাকা ট্রিবিউনে স্ক্রিনশট

এই প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগ। ইউনিট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এনায়েত এইচ. মনন ও ইমদাদুল হাসান সোহাগের পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে “মিথ্যা” বলে দাবি করা হয়েছে।

ই-মেইলে সংযুক্ত প্রতিবাদলিপিতে ছাত্রলীগের এই দুই নেতা বলেন, “দীর্ঘ বিরতির পর গত ২ ফেব্রুয়ারি ঢাবি ছাত্রলীগের হল কমিটি গঠন হয়। এতে অমর একুশে হল ছাত্রলীগের দায়িত্ব দেয়া হয় এনায়েত এইচ. মনন ও ইমদাদুল হাসান সোহাগকে। কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মনন-সোহাগ কমিটি তাদের স্বাতন্ত্র্য ধরে রেখে হলের সাধারণ ছাত্রদের অধিকার আদায়ে ও আত্মিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।”


আরও পড়ুন- ঢাবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ, ৭ দোকান বন্ধ


তাদের দাবি, “একটি বিশেষ অসাধু গোষ্ঠী ও কুচক্রীমহল ছাত্রদের জন্য অমর একুশে হল ছাত্রলীগের কার্যক্রমগুলোকে ভালোভাবে না নিতে এরে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে।”

তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে ছাত্রলীগের এই দুই নেতা দাবি করেন, “আনন্দবাজারের বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ বিএনপি-জামাতের সাবেক পদধারী এবং তাদের ছত্রচ্ছায়ায় আনন্দবাজারে সরকারি খাসজমি বেদখল, মসজিদের টাকা আত্মসাৎ, পতিতাবৃত্তিসহ নানা ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, সংবাদের বর্ণিত পরিস্থিতি অভিযোগকারীদের অন্তর্কোন্দলের ফলাফল। এর সাথে অমর একুশে হল ছাত্রলীগের কোনোরূপ সংশ্লিষ্টতা নেই। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং অমর একুশে হল ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের চরিত্রহননের লক্ষ্যে ঘটনার সাথে তাদের নাম যুক্ত করা হয়েছে।”

কোনো অপশক্তি তাদের ‘‘দাবায়ে রাখতে পারবে না” উল্লেখ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছে অমর একুশে ছাত্রলীগ।

মূল প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছেন ডেইলি স্টারের প্রতিবেদক। এ বিষয়ে পত্রিকাটির বক্তব্য-

দ্য ডেইলি স্টার একাধিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে। তথ্য যাচাই-বাছাই করেছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে দোকান মালিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ দিয়ে অভিযোগ করেছেন।

অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এনায়েত এইচ মনন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে চাঁদার টাকা চেয়ে একটি মোবাইল নম্বর দোকান মালিকদের ফোনে মেসেজ করে পাঠান। তথ্য-প্রমাণ দ্য ডেইলি স্টারের কাছে সংরক্ষিত আছে। প্রতিবেদনে ছাত্রলীগ নেতাদ্বয়সহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।

সাংবাদিকতার নিয়ম-নীতি মেনে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া, সংবাদে বর্ণিত পরিস্থিতিকে অভিযোগকারীদের “অন্তর্কোন্দলের ফলাফল” হিসেবে দাবি করেছেন ছাত্রলীগের ওই দুই নেতা।

এ বিষয়ে ডেইলি স্টার জানায়, প্রতিবাদে উল্লিখিত অন্তর্কোন্দলের কোনো তথ্য-প্রমাণ অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। দোকান মালিকদের রাজনৈতিক পরিচয় বা অন্যান্য অভিযোগের বিষয়গুলো এই প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক বিধায় সে বিষয়ে অনুসন্ধান করা হয়নি।

About

Popular Links