Tuesday, June 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিএনপির বক্তব্যে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অসন্তোষ

গত ১৭ মার্চ ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোস্টারের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে বিএনপি

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২২, ০৬:২৯ পিএম

সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম ট্র্যোস্টার সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি। তবে ওই বৈঠক নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত।

বুধবার (২০ এপ্রিল) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) টক অনুষ্ঠানে এ অসন্তোষের কথা জানান তিনি। 

রাষ্ট্রদূত বলেন, “কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না জার্মানি। বাংলাদেশের কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আগ্রহ নেই জার্মানির। বিএনপির সঙ্গে আমার যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে বিএনপি নেতারা কেন নির্বাচনে অংশ নেয়নি বা নিতে চায় না সেই বিষয়টি আমাকে ব্যাখ্যা করেছে, এর বেশি কিছু না।”

তিনি আরও বলেন, “আমাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে যে, আমি বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। এটা সত্য নয়। এটা যদি আমার কথা হয়ে থাকে, আমি নিজেই আমার কথা বলতে পারি।”

গত ১৭ মার্চ ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম ট্রোস্টারের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে বিএনপি। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ওই বৈঠক হয়। বৈঠকের পর ব্রিফ করেছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৈঠকের পর আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের মধ্যে অনেক মিউচ্যুয়াল ইন্টারেস্ট আছে। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের যে প্রত্যাশা তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। উন্নয়ন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র,  মানবাধিকার, দেশের আইনের শাসনসহ সব কিছুই আসে আলোচনায়।”

বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত কী বলেছেন- সাংবাদিকরা জানতে চাইলে খসরু বলেন, “বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে বিশ্বব্যাপী সবাই অবগত আছে। এখানে নতুন করে বলার কিছু নেই। এগুলো নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনাও হচ্ছে। বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে আলোচনা হচ্ছে উনারা (জামার্নি) তো তার একটা অংশ।”

আগামী নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না- এ বিষয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচন বাদে তো কোনো আলোচনা হতে পারে না। কারণ বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের বিষয়ে সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে। স্বাভাবিকভাবে উনারা জানতে চেয়েছেন, আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে? সবার চোখ তো বাংলাদেশের দিকে।”

About

Popular Links