Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন লতিফ সিদ্দিকী!

২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হজ, মহানবী (সা.), তাবলিগ জামায়াত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে কটূক্তি করায় দেশে ও দেশের বাইরে সমালোচনার ঝড় উঠে।

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৮, ০৯:১৯ পিএম

আওয়ামী লীগের সভাপতিণ্ডলী থেকে বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। এ খবরের জের ধরে লতিফ সিদ্দিকীকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। 

লতিফ সিদ্দিকীর অনুসারী মোশারফ হোসেন সিদ্দিকী ঝন্টু বলেন, লতিফ সিদ্দিকী নির্বাচন করবেন। আগামী ২৫ নভেম্বর  তিনি কালিহাতীতে এসে নির্বাচনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেবেন। 

ঝন্টু আরও বলেন, ‘কালিহাতী উপজেলার প্রতিটি এলাকায় লতিফ সিদ্দিকীর গণভিত্তি রয়েছে। আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মীই তাকে চান। তাই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।’  

নির্বাচন সম্পর্কে লতিফ সিদ্দিকী মোবাইল ফোনে বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আমি আদর্শিত। কালিহাতীর মানুষের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক। মানুষের ভালবাসা ও চাওয়া থেকেই স্বতন্ত্র নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’  

লতিফ সিদ্দিকী কালিহাতী থেকে ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, ১৯৭৩, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মন্ত্রিত্ব পান তিনি। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনেও তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় এমপি নির্বাচিত হন। 

২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হজ, মহানবী (সা.), তাবলিগ জামায়াত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে কটূক্তি করায় দেশে ও দেশের বাইরে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন ও ইসলামিক সংগঠনগুলো লতিফ সিদ্দিকীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে মোট ২২টি মামলা হয়। এর মধ্যে ১৭ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে তিনি দেশে এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারের অধীনে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি পান। পরে দেশব্যাপী আন্দোলনের মুখে তার মন্ত্রিত্ব কেড়ে নিয়ে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। 


About

Popular Links