Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের বিষয়ে নীরব বিএনপি

বিএনপির একাধিক নেতা এ বিষয়ে বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের দলের কোনো আগ্রহ নেই। ফলে, আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই না

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:০৭ পিএম

রাজনীতির মাঠে চমক হিসেবে উঠে এসেছে রাষ্ট্রপতি পদে মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি। তবে এমন ইস্যুতে একরকম নীরব ভূমিকায় বিএনপি। এরমধ্যে স্থায়ী কমিটির বৈঠক হলেও দলটির অবস্থান “নো-কমেন্ট”।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলেও তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের কোনো মন্তব্য নেই।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের দলের কোনো আগ্রহ নেই। ফলে, আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই না।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্য দুই সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমানও বিষয়টি নিয়ে কড়া কথা বলেন।

সোমবার অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ, দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কাগজপত্র জমা দেয় আওয়ামী লীগ।

সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ঘোষণা করেন, ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী শাহাবুদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। পরে মো. শাহাবুদ্দিনকে দেশের ২২তম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি।

মোশাররফ বলেন, “দেশের জনগণ বিএনপির কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে কারণ তারা বর্তমান ব্যর্থ সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। জনগণ সমস্ত দমনমূলক কর্মকাণ্ডকে উপেক্ষা করে তাদের সংগ্রাম চালিয়ে গেছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, “বিরোধী দলের নির্ধারিত কর্মসূচির দিনগুলোতে ক্ষমতাসীন দল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে সহিংসতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।”

তিনি বলেন, “বিরোধী দলগুলো সচেতনভাবে এই ফাঁদে পা দিচ্ছে না ও উসকানির জবাব দিচ্ছে না, তাই মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা হতাশা থেকে চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলন নিয়ে বেপরোয়া মন্তব্য করছেন।”

বিএনপি নেতা দাবি করেন, গত শনিবার তাদের রোডমার্চ কর্মসূচি পালনের জন্য সব ইউনিয়নে তাদের দলের নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমেছিলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ওইদিন সব ইউনিয়নে শান্তি সমাবেশের নামে পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করলেও অধিকাংশ ইউনিয়নে কর্মসূচি পালন করতে ব্যর্থ হয়।

মোশাররফ বলেন, আওয়ামী লীগ শুধু পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে নিজেদের সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ করছে।

About

Popular Links