Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রিজভী: সরকার পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘মাত্র ২/৩ দিনের প্রস্তুতিতে বিএনপির সমাবেশে জনসমুদ্র সৃষ্টি হয়েছিল। অপরদিকে ৭১ সালের শান্তি কমিটির মতো একটি শান্তি সমাবেশ করেছেন ওবায়দুল কাদের সাহেবরা’

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২৩, ০৪:৩১ পিএম

সরকার পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেছেন, “এক দফার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে গণতন্ত্রমনা সকল দল কর্মসূচি দিয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে উনি আর ক্ষমতায় থাকতে পারছেন না।”

শুক্রবার (১৪ জুলাই) দুপুরে খুলনায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত উপবৃত্তি দেওয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, “কেউ যদি মিথ্যাচারিতা শিখতে চান, তাহলে শুধু শেখ হাসিনাকে অনুসরণ করলেই চলবে। উনি বিদেশিদের কাছে বলেছেন, ১৪ বছর ধরে তিনি দেশে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়েছেন। দিনের ভোট রাতে করে, জনগণের সব ধরনের অধিকার কেড়ে নিয়ে উনি মিথ্যাচারের মডেলে পরিণত হয়েছেন। আইএমএফ'র চাপে সরকার স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে রিজার্ভ ২৩.৭ মিলিয়ন ডলার। এরা দুর্নীতির মাধ্যমে রিজার্ভ শেষ করেছে। অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। গণতন্ত্র শেষ করেছে। ব্যাংকগুলো এলসি খোলা বন্ধ করে দিয়েছে।”

তিনি বলেন, “তারেক রহমানের নির্দেশে মাত্র ২/৩ দিনের প্রস্তুতিতে নয়া পল্টনে বিএনপির সমাবেশে জনসমুদ্র সৃষ্টি হয়েছিল। অপরদিকে ৭১ সালের শান্তি কমিটির মতো একটি শান্তি সমাবেশ করেছেন ওবায়দুল কাদের সাহেবরা। যার শুরুতে ছিল চেয়ার ছোড়াছুড়ি। ওই সমাবেশে শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই উত্তর সিটির মেয়র তাপস বলেছেন, আগামী জানুয়ারিতে ঢাকা দখল করে তারা নির্বাচন করে দেখিয়ে দেবেন। এই বক্তব্যে তাদের মনোভাব প্রকাশ হয়ে পড়েছে।”

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড তুলে ধরে রিজভী বলেন, “নির্যাতন নিপীড়নের শিকার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছে ফাউন্ডেশন। তাদের চিকিৎসা, শিক্ষা ও পুনর্বাসনে সহায়তা করা হচ্ছে। জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকতে এ ধরনের গণমুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাজনীতিকে জনগণের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন।”

দেশ আজ চরম সংকট ও সমাজে আতংকের পরিবেশ বিরাজ করছে দাবি করে রিজভী বলেন, “জনগণের কাছে দেশের মালিকানা থাকলে আজকের রাজনীতি অন্য রকম হতো। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে, যার মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।”

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের শিক্ষা উপবৃত্তি প্রকল্প উপ-কমিটির আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, সহ প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, ফাউন্ডেশনের রিহ্যাবিলিটেশন কমিটির চেয়ারম্যান ডা. শাহ মো. আমানুল্লাহ, খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা, জেলা আহ্বায়ক আমির এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী। অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য দেন শহীদ তানু ভূঁইয়ার বিধবা স্ত্রী কানিজ ফাতেমা।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুস সাদাত।

About

Popular Links