Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাদের: সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র আনছে বিএনপি

আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে এবং স্বচ্ছতা এসেছে। যার ফলে এখন নির্বাচনে কারচুপির সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৩, ০২:১১ পিএম

বিএনপি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে দেশে অস্ত্র আনছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, “সীমান্তের এপাড় থেকে খবর পাচ্ছি, অস্ত্র কিনছে তারা (বিএনপি)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ তাদের অস্ত্র সরবরাহের একটা ঘাঁটি। আগ্নেয়াস্ত্র এনে মজুত করছে। জনশক্তি তাদের কাছে শক্তি নয়। যারা অস্ত্র শক্তি দিয়ে ক্ষমতায় বসতে চায়, জনশক্তির ওপর তাদের আস্থা থাকার কথা না।”

মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সহযোগী সংগঠনগুলো এবং ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

বিএনপির কর্মসূচির দিনে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা যখন শোকের মাসের কর্মসূচি নিতে যাই, তখন বিএনপি তো বলেই, কিছু মিডিয়াও পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি বলে। আমরা বলেছি আমরা নির্বাচন পর্যন্ত মাঠে থাকবো। এখানে পাল্টাপাল্টি হলো কোথায়? পাল্টাপাল্টি হলো কীভাবে?'

আওয়ামী লীগ সংঘাতের পক্ষপাতী নয় উল্লেখ করে কাদের বলেন, “সংঘাত করে যারা দুর্বল। আমরা সংঘাত করতে যাবো কেন? আমরা কেন সংঘাত করবো? আমরা তো চাই সংঘাতমুক্ত, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু একটা নির্বাচন। এটা জাতির কাছে আমাদের প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার উন্নয়নের সঙ্গে আছে।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আমাদের আর হেলায় ফেলায় সময় কাটানোর সুযোগ নেই। নিষ্ক্রিয় থাকার সুযোগ নেই। প্রোগ্রাম থাকলে যাবো, অন্যদের ব্যাপারে মাথা ঘামাবো না; তাহলে হবে না। সতর্ক থাকতে হবে, নির্বাচন পর্যন্ত।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে এবং স্বচ্ছতা এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একের পর এক পরিবর্তন এনেছেন, রূপান্তর এনেছেন। যার ফলে নির্বাচন ব্যবস্থা এখন স্বাধীন। এখন নির্বাচনে কারচুপির সুযোগ নেই।”

সভায় অন্যদের মধ্যে আওয়ামী সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. ফারুক খান, ডা. মোস্তাফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বি এম মোজাম্মেল হক, আহমদ হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল; দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

About

Popular Links