Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আইনমন্ত্রী: খালেদাকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই

  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে
  • সরকার আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে
আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:২৭ পিএম

আইনি দিক বিবেচনা করে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, “আমি আগেই বলেছি বিএনপি প্রধানকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ (১) ধারা অনুযায়ী শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়েছে যা প্রধানমন্ত্রীর উদারতা। এই আইনি অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আনা হলে প্রথমে তার শর্তসাপেক্ষে মুক্তি বাতিল করতে হবে। তারপর এ বিষয়ে অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে।”

রবিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়াকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ও তার কিছু হলে সরকারের দায় নিতে হবে উল্লেখ করে আল্টিমেটাম দেন।

খালেদা ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আনিসুল বলেন, “আবেদনটি প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। এরপর সেটি এটি আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ওপর নির্ভর করবে। তবে আমি মনে করি, আইন অনুযায়ী সরকার এর বেশি কিছু করতে পারবে না।”

শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, “উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে। পরে আইন মন্ত্রণালয় বিষয়টি কাগজপত্রের আলোকে ভেবে দেখবে।”
 
পরেরদিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। বিদেশে চিকিৎসার জন্য কোনো আবেদন তার পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়নি। আর বিদেশের চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছু করার নেই, এ বিষয়ে আদালত সিদ্ধান্ত দেবেন।”

এদিকে ১৮ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিরাপত্তা সেবা বিভাগ খালেদার জামিনের মেয়াদ আরও ছয় মাস স্থগিত করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, “খালেদা জিয়াকে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে হবে। এই সময়ের মধ্যে তাকে বিদেশে যেতে দেওয়া হবে না।”

৭৮ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।

২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে মুক্তির পর থেকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন খালেদা জিয়া।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালে কারাগারে যান।

দেশে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার।

About

Popular Links