Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আরও সপ্তাহখানেক চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে থাকবেন খালেদা জিয়া

গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:৪৯ পিএম

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসকেরা আরও সপ্তাহখানেক সার্বাক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখবেন। গত তিন মাস ধরে ঢাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসক জানান, মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার রক্তনালিতে অস্ত্রোপচারের পর কমপক্ষে চার সপ্তাহ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী তিন সপ্তাহ পার হয়েছে।

তিনি বলেন, এখন আরও এক সপ্তাহ খালেদা জিয়াকে চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপর তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে অবস্থার পরিবর্তন বা উন্নতি হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে একটি ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যে জটিলতা কিছুটা কমাতে রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয়।

চিকিৎসকরা বলছেন, তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রক্তনালিতে অস্ত্রোপচারের প্রভাবেও তার স্বাস্থ্যে নানা জটিলতা দেখা দেয়। এসব জটিলতা কখনো কিছুটা কমছে, আবার কখনো কিছুটা বাড়ছে।

রক্তনালিতে অস্ত্রোপচারের বিষয়কে সাময়িক চিকিৎসা হিসেবে উল্লেখ করে চিকিৎসকরা জানান, লিভার প্রতিস্থাপন না করা পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।

গত ৯ আগস্ট থেকে তিন মাসের বেশি সময় ধরে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট, চোখের সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছেন।

উন্নত চিকিৎসার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে তার পরিবার থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হলেও অনুমতি পাওয়া যায়নি। তাকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে বিএনপি বেশ কিছুদিন রাজপথে আন্দোলনও করেছে।

এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে ঢাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি নেত্রীর রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয় গত ২৭ অক্টোবর। অস্ত্রোপচারের পরদিনই বিদেশি চিকিৎসকেরা ফেরত গেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ওই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা ঢাকায় খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালে কারাগারে যান। দেশে কোভিড মহামারি শুরু হলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার। এরপর ছয় মাস পরপর তার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছে সরকার।

About

Popular Links