এই মুহূর্তে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের সমান চার পয়েন্ট। বাংলাদেশ শেষ দুটি ম্যাচ খেলবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বিপক্ষে। তাই বাংলাদেশের ফাইনালে যাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা!
বুধবার মালয়েশিয়ায় গ্রুপ পর্বের ম্যাচে র্যাংকিংয়ের চতুর্থ দল ভারতের মুখোমুখি হয় নবম স্থানে থাকা বাংলাদেশ। ভারত বাংলাদেশেকে ১৪২ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেয়। ফারজানা হক ও রুমানা আহমেদের বড় জুটিতে ২ বল বাকি থাকতে সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ।
১৪২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ছিলেন সালমারা। ওপেনিং জুটিতে শামিমা সুলতানা ও আয়েশা রহমান ২৯ রানের জুটি গড়েন। এই জুটি ভেঙে যাওয়ার পর শামিমা সুলতানা ও ফারজানা হক মিলে স্কোর বোর্ডে দ্রুততার সঙ্গে আরও কিছু রান যোগ করেন। শামিমা ২৩ বলে সাত চারে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন। তার বিদায়ের পর অবশ্য নিগার বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
এরপরই শুরু হয় ফারজানা হকের দায়িত্বশীল ইনিংস। তাকে সঙ্গ দেন ওয়ানডে অধিনায়ক রুমানা আহমেদ। চতুর্থ উইকেটে তাদের ব্যাট থেকে আসে ৯৩ রান। ফারজানা এদিন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। ৪৬ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় তিনি অপরাজিত ৫২ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন। এছাড়া রুমানা ৩৪ বলে ৬ চারে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন।
ভারতীয় বোলারদের মাঝে পূজা, রাজেশ্বরী ও পুনম যাদব প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান সংগ্রহ করে। অধিনায়ক হারমানপ্রিত করের ৪২ ও টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারের তালিকায় শীর্ষ চারে থাকা দীপ্তি শর্মার ৩২ রানের ওপর ভর করে লড়াই করার পুঁজি পায় ভারত।
ভারতের ইনিংসের শুরুতে আঘাত হেনেছিলেন সালমা খাতুন। ওপেনার স্মৃতি মান্দানা ব্যক্তিগত দুই রানে সাজঘরে ফেরেন তার বলে। এরপর মিতালী রাজ রান আউটের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরলে বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
পূজা ও হারমানপ্রিতের ৪৪ রানের জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে ওঠে ভারত। পূজা ২০ রান করে জাহানারার সরাসরি থ্রোতে রান আউট হন। এরপর দীপ্তিকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৫০ রানের জুটি গড়ে রুমানা আহমেদের শিকারে পরিণত হন হারমানপ্রিত। যাওয়ার আগে ৩৭ বলে ৬ চারে ৪২ রানের ইনিংস খেলেছেন।
সঙ্গীকে হারিয়ে দলীয় স্কোর বোর্ডে আরও এক রান যোগ হতেই দীপ্তি সাজঘরে ফেরেন। ২৮ বলে ৫টি চারে এই অলরাউন্ডার ৩২ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল রুমানা আহমেদ। তিনি ৪ ওভারে ২১ রান খরচায় তিনটি উইকেট নেন। এছাড়া অধিনায়ক সালমা খাতুন নেন একটি উইকেট।