Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

৫০% ফুটবলারই অনলাইনে হয়রানির শিকার

এর মধ্যে হোমোফবিক (৪০%) এবং বর্ণবাদ (৩৮%) সংক্রান্ত মন্তব্যই খেলোয়াড়দের বেশি হজম করতে হয়েছে

আপডেট : ২০ জুন ২০২২, ০৫:৩৭ পিএম

দলের জন্য মাঠের মধ্যে ফুটবলারদের কম লড়তে হয় না। মাঠের লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য তাদের সর্বস্ব নিংড়ে দিতে হয়। তবুও কখনও দুর্ভাগ্য আবার কখনও প্রতিপক্ষের শ্রেয়তায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসে না। তখন মাঠের পাশাপাশি ফুটবলারদের লড়াই করতে হয় মাঠের বাইরেও, আরও নির্দিষ্টভাবে বললে ভার্চুয়াল জগতে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকে অনলাইনে মানুষের রোষানল।

গত ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং আফ্রিকান কাপ অব নেশন্স প্রতিযোগিতায় ফুটবলারদেরও এ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। ইউরোপ ও আফ্রিকার মহাদেশীয় দুই টুর্নামেন্টে খেলা অনেক খেলোয়াড়ই ভার্চুয়াল জগতের রোষানলের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে হোমোফবিক (৪০%) এবং বর্ণবাদ (৩৮%) সংক্রান্ত মন্তব্যই খেলোয়াড়দের বেশি হজম করতে হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুন) প্রকাশিত ফুটবলের সর্বোচ্চ অভিভাবক সংস্থা ফিফার করা গবেষণার ফলাফলে এ চিত্র দেখা যায়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) সাহায্যে ২০২০ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০২১ সালের আফ্রিকান কাপ অব নেশন্স প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল চলাকালীন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় ৪ লাখ পোস্টের ওপর পর্যালোচনা করে এ ফলাফল বের করা হয়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, গবেষণা চলাকালীন সময়ে ৫০% ফুটবলারই অনলাইনে রোষানলের শিকার হয়েছেন।

কাতার বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৫ মাস বাকি। আসন্ন ফুটবলের বিশ্বযজ্ঞে কোনো খেলোয়াড়কে যেন ভার্চুয়াল জগতে এরকম বাজে পরিস্থিতির শিকার না হতে হয়, সেজন্য ফুটবলারদের সংগঠন ফিফপ্রোর সঙ্গে কাজ করে একটি উপায় বের করার পরিকল্পনা নিয়েছে ফিফা।

এর মাধ্যমে বিশ্বকাপ চলাকালে স্ক্যানিং পদ্ধতির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে আসা আক্রমণাত্মক এবং ঘৃণাযুক্ত মন্তব্য শনাক্ত করবে এবং সেগুলো যেন ওই অ্যাকাউন্টের অনুসারী এবং অন্যান্য ব্যবহারকারীর কাছে না পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।

ফিফার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, “যারা আক্রমণাত্মক বার্তা, মন্তব্য এবং পোস্ট করে থাকে, তাদের কাছে সেগুলো দৃশ্যমান থাকলেও অন্য ব্যবহারকারীদের কাছে সেগুলোর ছড়ানো রোধ করা হবে।”

About

Popular Links