Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গোল করে কীভাবে নাচবেন, আগেই হিসেবে ব্যস্ত নেইমাররা

বিশ্বকাপে প্রথম ১০ গোলের উদযাপন কীভাবে করবেন, তা ঠিক করে রেখেছেন তিতের শিষ্যরা

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২২, ১১:১৮ এএম

২০০২ সালে এশিয়া মহাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে পঞ্চম ও সর্বশেষ শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল। দুই দশক পর এশিয়ার মাটিতে আয়োজিত বিশ্বকাপেও হট ফেবারিট বলে ধরা হচ্ছে ব্রাজিলকে। কাতারে সেলেসাওরা কতদূর যাবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে গোল উদযাপনে যে ব্রাজিল সবার থেকে এগিয়ে থাকবে, তা চোখ বন্ধ করেই বলে দেওয়া যায়।

ব্যতিক্রমী ভঙ্গিতে গোল উদযাপনের জন্য ব্রাজিলের সুনাম বহু পুরোনো। বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চেই অনেক ঐতিহাসিক গোল উদযাপনের জন্ম দিয়েছে সেলেসাওরা। চলমান কাতার বিশ্বকাপেও গোল উদযাপনে লাতিন পরাশক্তিরা ভিন্ন আঙ্গিকে দর্শক মাতাতে প্রস্তুত। বিশ্বকাপে গোল উদযাপনের জন্য ভিন্ন মুদ্রা আগেভাগেই ঠিক করে রেখেছে তিতের শিষ্যরা।

ব্রিটিশ দৈনিক মিররের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতার বিশ্বকাপের যেকোনো ম্যাচে ১০ গোলে দশ রকম উদযাপন করবে ব্রাজিল। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সার্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রাফিনহা।

রাফিনহা বলেন, “সত্যি বলতে টুর্নামেন্টে ১০ গোল পর্যন্ত নিজস্ব ভঙ্গিতে উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা নাচের ১০টি মুদ্রা নির্ধারণ করেছি। প্রথম গোলের জন্য এক রকম মুদ্রা, দ্বিতীয়টির জন্য অন্য রকম মুদ্রা এভাবে তৃতীয়, চতুর্থ ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রায় নেচে উদযাপন করবে ব্রাজিল।”



তবে কাতার বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে ব্রাজিলের করা গোলের সংখ্যা ১০ পেরিয়ে গেলেও ভিন্ন গোল উদযাপনের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ থাকবে দর্শকদের সামনে। এ প্রসঙ্গে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড বলেন, “টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে আমরা যদি দশবারের বেশি গোল করি, তাহলে আমদের নতুন উদযাপন উদ্ভাবন করতে হবে।”

২০০২ বিশ্বকাপে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা জেতার পর টুর্নামেন্টের পরের চার আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দূর, একবারও ফাইনাল খেলতে পারেনি ব্রাজিল। তবে কাতার বিশ্বকাপে ষষ্ঠবারের মতো সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে বদ্ধপরিকর সেলেসাওরা। ২০ বছর আগের সেই সাফল্যে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল ব্রাজিলের আক্রমণভাগ। এ কারণেই হয়ত বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ২৬ জনের স্কোয়াডে ৯ জন ফরোয়ার্ড রেখেছেন তিতে।

কাতার বিশ্বকাপে আক্রমণই ব্রাজিলের মূল শক্তি হবে জানিয়ে রাফিনহা বলেন, “দলে ভিনিসিয়াসের অন্তর্ভুক্তিতে আক্রমণে গতি এসেছে। পাকুয়েতার বদৌলতে মাঝমাঠেও আমাদের নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তবে প্রতিপক্ষ যেই হোক, সবসময়ই ব্রাজিলের লক্ষ্য থাকে আক্রমণাত্মক খেলা।”

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময়ে দিবাগত রাত ১টায় সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের মাধ্যমে কাতার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। গ্রুপপর্বে পরের দুই ম্যাচে পরবর্তীতে ২৮ নভেম্বর সুইজারল্যান্ড এবং ২ ডিসেম্বর ক্যামেরুনের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

About

Popular Links