Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

একাদশে রোনালদোর না থাকার বিষয়ে যা জানালেন পর্তুগিজ কোচ

রোনালদোর শুরুর একাদশে না থাকার পেছনে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষের ম্যাচের ঘটনার কোনো প্রভাব নেই বলে দাবি কোচের

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১৮ পিএম

সুইজারল্যান্ডকে ৬-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। মূল অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ছাড়াই মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হয় পর্তুগাল।

তবে দলে রোনালদোর অনুপস্থিতির বড় কোনো প্রভাব পরিলক্ষিত হয়নি। বলতে গেলে তার অবদান ছাড়াই সুইসদের ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ২০০৬ বিশ্বকাপের পর আবারও কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে পর্তুগিজরা।

রোনালদোর পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন গোঞ্জালো রামোস।

তবে, দলের বড় জয় কিংবা রামোসের হ্যাট্রিক ছাপিয়ে মিডিয়ার আলোচনার বিষয় রোনালদোর শুরুর একাদশে না থাকা নিয়ে।

তাই ম্যাচ শেষে রোনালাদো শুরুর একাদশে না থাকা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় পর্তুগিজ কোজ ফার্নান্দো সান্তোসকে।

যদিও আগেই গুঞ্জন উঠেছিল কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে জাতীয় দলের কোচ সান্তোসের সঙ্গে সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর।

গ্রুপের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে হেরে যায় পর্তুগাল। সেই ম্যাচে রোনালদোকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কোচ। সেই সময় ৩৭ বছরের রোনালদো যে অঙ্গভঙ্গি করেছিলেন, তা পছন্দ হয়নি সান্তোসের।

যদিও পরে রোনালদো বলেন, “আমি যখন মাঠ থেকে বেরোচ্ছিলাম, তখন দক্ষিণ কোরিয়ার এক ফুটবলার আমাকে মাঠ থেকে তাড়াতাড়ি বেরোতে বলে। আমি ওকে চুপ করতে বলি।”

পরে রোনালদোর অঙ্গভঙ্গি প্রসঙ্গে সান্তোস বলেন, “রোনালদোর ওই প্রতিক্রিয়া আমার পছন্দ হয়নি। আমার একদমই ভালো লাগেনি ওটা। কিন্তু ব্যাপারটা ওখানেই শেষ হয়ে গেছে। এ ধরনের বিষয়গুলো নিজেদের মধ্যেই সমাধান করা হয়। সবাই এখন ম্যাচ নিয়েই মনোযোগী।”

তবে শেষ পর্যন্ত গুঞ্জন সত্যিই হলো। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে রোনালদোকে ছাড়াই শুরুর একাদশ সাজান সান্তোস। তার পরিবর্তে এ ম্যাচে দলে নেতৃত্ব দেন পেপে।

কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পর সাংবাদিকদের রোনালদো প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সান্তোস বলেন, “এখনো কিছু বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বাকি আছে। রোনালদোর সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই ভালো, সব সময়ই ছিল। ১৯ বছর বয়স থেকে ওকে চিনি, ২০১৪ সালে আমি যখন পর্তুগালে আসি তখন জাতীয় গোলে সে তারকা হয়ে উঠছে। রোনালদো ও আমার মধ্যে কোনো ভুল–বোঝাবুঝি নেই। আমি তাকে এখনো দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার হিসেবে বিবেচনা করি।”

সান্তোসের দাবি, রোনালদোর শুরুর একাদশে না থাকার দক্ষিণ কোরয়িার ম্যাচের ঘটনার কোনো প্রভাব নেই।

পর্তুগিজ এই কোচ বলেন, “শৃঙ্খলাজনিত ব্যাপার এরই মধ্যে সমাধান হয়ে গেছে। রোনালদো অতীতে কী করেছে সেটা দেখাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। সে অন্যতম সেরা ফুটবলার। আর আমাদের এক সঙ্গেই কাজটা করতে হবে। চলতি মৌসুমে শৃঙ্খলাজনিত ব্যাপারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্কোয়াড থেকেও বাদ পড়েছিলেন রোনালদো।”

২০০৪ সালের ইউরোতে রাশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর বড় টুর্নামেন্টে এই প্রথম ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে বেঞ্চে রেখে ম্যাচ শুরু করে পর্তুগাল। এরপর ২০০৮ সালে ডেড রাবার ম্যাচ ছাড়া আর কখনো শুরুর একাদশের বাইরে ছিলেন না পর্তুগিজ তারকা। 

যদিও, সুইজারল্যান্ডে বিপক্ষে ৭৪ মিনিটে রামোসের জায়গায় রোনালদো মাঠে নামেন। তবে ততক্ষণে পর্তুগালের জয় অনেকটা নিশ্চিতই। মাঠে নেমে জালেও বল জড়ান রোনালদো। তবে, অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়।

About

Popular Links