Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মার্টিনেজের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় অভিযোগ ফ্রান্সের

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর কিলিয়ান এমবাপ্পেকে উদ্দেশ করে এমি মার্টিনেজের উগ্র আচরণের পরিপ্রেক্ষিতেই এই অভিযোগ

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:১৫ পিএম

কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাধ্যমে ৩৬ বছর পর বিশ্বজয়ের স্বাদ পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তিন যুগ পর বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার পর আর্জেন্টাইনদের আনন্দ আর উদযাপন যে বাঁধভাঙা হবে, সেটি অনুমিতই ছিল। কিন্তু এই বাঁধভাঙা উদযাপনের মাঝেও ফাইনালের প্রতিপক্ষ ফ্রান্সকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি আলবিসেলেস্তেরা। মূলত আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজ আর ফ্রান্স ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যকার একতরফা দ্বন্দ্বযুদ্ধই এর পেছনে মূল অনুসন্ধিৎসু।

রবিবারের (১৮ ডিসেম্বর) কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের পর প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ড্রেসিংরুম নাচে-গানে শিরোপা-জয় উদযাপন করছিলেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। সেই উদযাপন হঠাৎই থামিয়ে দিয়ে থামিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। এরপর কিলিয়ান এমবাপ্পেকে খোঁচা দেন। সতীর্থদের দিকে তাকিয়ে তিনি বলে ওঠেন, “এক মিনিটের নীরবতা।” এরপর গানের সুরে বলেন, “এমবাপ্পের জন্য, যে মরে গেছে!”  

শুধু তাই না,  বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে আর্জেন্টিনায় ফেরার পরেও এমবাপ্পেকে খোঁচা মারতে ছাড়েননি মার্টিনেজ। দেশে ফিরেও এমবাপ্পেকে নিয়ে মজা করেছেন তিনি। কাতার থেকে আর্জেন্টিনায় ফেরার পর মঙ্গলবার ছাদখোলা বাসে রাজধানী বুয়েনস এইরেসে মেসি-মার্টিনেজদের নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। সেখানে উদযাপনের সময় মার্টিনেজকে দেখা গেছে একটি পুতুল কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সেই পুতুলের মুখে এমবাপ্পের একটি ছবি বসানো ছিল। তবে, ওই পুতুলটি আর্জেন্টিনা দলকে স্বাগত জানাতে আসা ভক্তদের মধ্যে থেকে ছুঁড়ে মারা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

কিলিয়ান এমবাপ্প অবশ্য এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কিছুই বলেননি। তবে এতদিন কিছু না বললেও অবশেষে মুখ খুলেছে ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশন (এফএফএফ)। ড্রেসিংরুমের ঘটনা নিয়ে কিছু না বললেও ছাদখোলা বাসে শোভাযাত্রার সময়ে এমবাপ্পের মুখবিশিষ্ট পুতুল নিয়ে কটুক্তি করার ব্যাপারটি ভালোভাবে নেয়নি এফএফএফ। তাদের ভাষ্যমতে, মার্টিনেজের উদযাপন ছিল বিদঘুটে এবং অস্বাভাবিক। এ কারণে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছে এফএফএফ।

ওয়েস্ট-ফ্রান্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এফএফএফ প্রেসিডেন্ট নয়েল লে গ্রায়েট বলেন, “এটা (মার্টিনেজের উদযাপন) খুবই অদ্ভুত। এই ছেলেগুলো ফ্রান্সের ফুটবলের জন্য সর্বোচ্চটা দিয়েছে। আমরা তাদের সমর্থন দিচ্ছি। আর্জেন্টিনা অ্যাসোসিয়েশনকে বলছি, যেটা করা হয়েছে তা অতিরিক্ত পর্যায়ের বাজে আচরণ ছিল, এটা ক্রীড়াসুলভ আচরণ হতে পারে না। এমবাপ্পের আচরণ দৃষ্টান্তমূলক।”

শুধু এফএফএফই না, ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী ব্রুনো লে মারি পর্যন্ত এ ঘটনায় মুখ খুলেছেন। ফিফার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, এভাবে অপমান করা খুবই বাজে বিষয়। ফিফা করছেটা কী? ক্রীড়াঙ্গন ফেয়ার প্লের জায়গা। প্রতিপক্ষকে সম্মান দেখানোর জায়গা। পরাজিত দলকে এই সম্মান আরও বেশি দেখানো উচিত।

About

Popular Links