Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাতারে নির্মাণাধীন আবাসনে প্রতি রাত ২১ হাজার টাকা, বাধ্য হয়ে ‘নরকে’ সমর্থকরা

পাতলা প্লাস্টিকে তৈরি কুয়েতাইফান ফ্যান ভিলেজের তাঁবুগুলোতে দুটি করে বেড রয়েছে। সঙ্গে একটি ফ্যান ও বাতি রয়েছে। আর নিচে রয়েছে পাতলা কার্পেট

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২২, ০২:২৭ পিএম

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়ানোর সময়ও চলছিল কাতারের কুয়েতাইফান ফ্যান ভিলেজের নির্মাণকাজ। এই ভিলেজে বেশির ভাগ অতিথি আসার আগেই সবকিছু ঠিকঠাক না হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। সঙ্গে সারাক্ষণ নানা ধরনের নির্মাণাধীন কাজের ব্যস্ততা। আকাশছোঁয়া ভারী যন্ত্রপাতি এবং সেসবের শব্দও ভিলেজে থাকার জন্য সহায়ক নয়।

সেইসব অভিযোগই এখন ভিলেজে থাকা অতিথিরা করছেন। তারা বলছেন, “এটা এখনো নির্মাণাধীন। দিনের বেলায় এটা অনেকটা নরকের মতো। এটা মরুভূমি, এত গরম!”

এই ভিলেজে সব মিলিয়ে ১,৮০০ তাঁবু খাটানো হয়েছে। যেখানে প্রতিটি ঘরে দুজন করে লোক থাকতে পারবেন। যেখানে এক রাত থাকতে খরচ হবে ১৭৫ পাউন্ড। অর্থ্যাৎ, বাংলাদেশি মুদ্রায় ২১ হাজার টাকার বেশি। তবে গরমের কারণে এখানে থাকতে গিয়ে অনেক দর্শককে বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে।

এই ভিলেজের একটি ঘরে আগামী দুই সপ্তাহ থাকবেন জাপানি ফুটবল-ভক্ত শোগো নাকাশিমহা। তিনি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেন, “আমার থাকার জায়গা বদলানোর সুযোগ নেই। তাই যেভাবে আছি, সেটাকেই মেনে নিতে হবে এবং জাপানের ম্যাচের অপেক্ষায় থাকতে হবে। আমি এখানে আসি শুধু ঘুমাতে। সারা দিন বাইরে থাকি এবং শহরটাকে ঘুরে ঘুরে দেখি। আমি এখানে থাকতে চাই না।”

কাতারে খেলা দেখতে এসে এই ভিলেজে ঠাঁই নিয়েছেন পেদ্রো ও ফাতিমা দম্পতি। তাদের বাস স্পেনে হলেও তারা গলা ফাটাবেন মেক্সিকোর জন্য। গত এপ্রিলেই তারা বিয়ে করেছেন এবং কাতারে খেলা দেখতে আসা মূলত তাদের হানিমুনেরই অংশ। নাকাশিমহার মতো ভিলেজ নিয়ে অভিযোগ আছে এই দম্পতিরও।

পেদ্রো বলেন, “এখানে এক রাত থাকার খরচ ১৭৫ পাউন্ড (২১ হাজার ৪৪২ টাকা)। তবে সত্যি বলতে যেমনটা প্রত্যাশা করেছিলাম, তেমনটা হয়নি। এটা ফিফা বিশ্বকাপ, এখানে কিছুটা মানসম্পন্ন বিষয়-আশয় আপনি আশা করতেই পারেন। এটা অনেকটা নিচু মানের হোস্টেলের মতো।”

ক্ষোভ প্রকাশ করে পেদ্রো আরও বলেন, “এটা অনেকটা গ্রিনহাউজের মতো। তাই ফ্লাইটের কারণে ক্লান্ত থাকার পরও সকাল ৯টার পর আর ঘুমাতে পারিনি।”

পাতলা প্লাস্টিকে তৈরি এই তাঁবুগুলোতে দুটি করে বেড রয়েছে। সঙ্গে একটি ফ্যান ও বাতি রয়েছে। আর নিচে রয়েছে পাতলা কার্পেট।

ব্যবস্থাপনার সমস্যার কথা উল্লেখ করে ফাতিমা বিবিসিকে বলেন, “এখানে কোনো সংগঠন নেই। কেউ কিছু জানেন না। দোকানগুলো বন্ধ, খাবার পানি নেই। এমন কিছুর জন্য টাকা দিইনি।”

About

Popular Links