Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটারকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব, অডিও ফাঁস

বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আইসিসির দুর্নীতি দমক কমিশন (আকসু) বিষয়টি দেখভাল করে। এখানে বিসিবির তদন্তের কিছু নেই। এটা খুব সেনসেটিভ বিষয়। একটা নিউজ ধরে আমরা মন্তব্য করতে পারি না

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:০২ পিএম

দক্ষিণ আফ্রিকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকা বাংলাদেশের এক নারী ক্রিকেটারকে দলের বাইরে থাকা আরেক ক্রিকেটার ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার একটি অডিও কল রেকর্ড ‘ফাঁস' হয়েছে। বেসরকারি “যমুনা টেলিভিশনে ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডটি প্রচার করা হয়েছে।

রেকর্ড সূত্রে জানা যায়, দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটার দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া ক্রিকেটারকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে প্রস্তাব পাওয়া ওই ক্রিকেটার ম্যাচ পাতানোর বিষয়টি নাকচ করেছেন। এমন প্রস্তাব আর কখনো না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।

অডিওতে জাতীয় দলের বাইরে থাকা সোহেলি আক্তারকে বলতে শোনা গেছে, “আমি তোমাকে জোর করছি না। ইচ্ছে হলে তুমি খেলবা, না হলে নাই। এবার তুমি চাইলে খেলতে পারো, না হলে নাই। তোমার ইচ্ছা। ধরো, একটা ম্যাচে তুমি ভালো খেললে, পরের ম্যাচে তুমি খেলতে (ম্যাচ পাতাতে) পারো। সেক্ষেত্রে টিম ম্যানেজমেন্ট তোমাকে কিছু বলতে পারবে না।”

জবাবে বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটার বলেন, “না বান্ধবী, এসব প্রস্তাব তুমি আমাকে আর দিও না। আমি এসবের মধ্যে নাই। প্লিজ এসব কথা আমাকে বইলো না। এগুলো আমাকে দিয়ে হবে না। এগুলো আমাকে বইলো না আর, রিকুয়েস্ট।”

এই ব্যাপারে বিসিবির উইমেন্স উইংয়ের চেয়ারম্যান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “বিষয়টি তারা অবগত। তবে এটি তদন্ত করার পুরো দায়িত্ব আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের।  আমাদের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা যে ক্রিকেটারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তিনি নিয়ম অনুযায়ী সেটা সঙ্গে সঙ্গে আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটকে (আকসু) জানিয়েছেন। এখন বাকিটা আকসুর বিষয়। এই বিষয়টি ডিল করার এখতিয়ার আমাদের থাকে না। এটা পুরোটাই আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট দেখবে। তবে আমরা অবগত আছি।”

কোনো ক্রিকেটারকে ম্যাচ ফিক্সিং, স্পট বা ম্যাচের কোন তথ্য ফাঁস করার প্রস্তাব দেওয়া হলে দ্রুতই তা দুর্নীতি বিভাগকে জানানোর কড়া বাধ্যবাধকতা আছে আইসিসির। আইসিসির স্বাধীন দুর্নীতি দমন ইউনিট এসব তথ্য নিয়ে তদন্ত চালিয়ে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

দুর্নীতির প্রস্তাব পেয়ে কোন ক্রিকেটার তা গোপন করলেও শাস্তির বিধান রয়েছে। তিনবার এ রকম প্রস্তাব পেয়ে তা গোপন রাখায় শাস্তি পেতে হয়েছিল সাকিব আল হাসানকে।

বিষয়টি নিয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “আইসিসির দুর্নীতি দমক কমিশন (আকসু) বিষয়টি দেখভাল করে। এখানে বিসিবির তদন্তের কিছু নেই। এটা খুব সেনসেটিভ বিষয়। একটা নিউজ ধরে আমরা মন্তব্য করতে পারি না।”

About

Popular Links