Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে খেলোয়াড়ের সংক্ষিপ্ত তালিকায় সাকিব

২০২১ সালে ৯টি ওয়ানডে খেলে দুই অর্ধশতকে ৩৯.৫৭ গড়ে ২৭৭ রান করেছেন সাকিব, সঙ্গে ১৭.৫২ গড়ে নিয়েছেন ১৭ উইকেট

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩০ পিএম

বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বর্ষসেরা ওয়ানডে খেলোয়াড়ের চারজনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। এ তালিকায় তার সঙ্গে রয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম, আয়ারল্যান্ড ওপেনার পল স্টার্লিং ও দক্ষিণ আফ্রিকান টপ অর্ডার ব্যাটার জান্নেমান মালান।

এ বছর ৯টি ওয়ানডে খেলে দুই অর্ধশতকে ৩৯.৫৭ গড়ে ২৭৭ রান করেছেন সাকিব, সঙ্গে ১৭.৫২ গড়ে নিয়েছেন ১৭ উইকেট।

আইসিসিরর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জেতানো পারফরম্যান্স দিয়ে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা (এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা) কাটিয়ে রাজসিকভাবে মাঠে ফেরেন ৩৪ বছর বয়সী সাকিব।

২০১৯ সালের জুলাইয়ে সর্বশেষ ওয়ানডে খেলার পরেও ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জেতা সেই ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট হাতে ১১৩ রান করার পাশপাশি বল হাতে ৬ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার খেতাব বগলদাবা করেন সাকিব।

কিন্তু ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ ম্যাচের সিরিজটি হতাশাজনকভাবে কাটে সাকিবের। লঙ্কানদের বিরুদ্ধে সেই সিরিজে মাত্র ১৯ রান করেছিলেন সাকিব আর উইকেট নিয়েছিলেন মাত্র ৩টি।

তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরের সিরিজেই ব্যাটিংয়ে ১৪৫ রান এবং বোলিংয়ে ৮ উইকেট শিকার করে আবার স্বরূপে ফিরে আসেন সাকিব। সেই সিরিজেই তিনি বছরে দ্বিতীয়বারের মতো সিরিজ সেরার পুরস্কার জিতে নেন।

প্রায় সময়ের মতোই হারারেতে অনুষ্ঠেয় ওই সিরিজের ২য় ম্যাচে বাংলাদেশের ত্রাতা রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন সাকিব। প্রথমে ব্যাট করা জিম্বাবুয়ে পাওয়ারপ্লেতে দুই ওপেনারকে হারিয়েও ভালোমতোই বিপদ সামলে উঠেছিল। ব্রেন্ডন টেলর এবং রেজিস চাকাভা যখন বিপজ্জনক হয়ে উঠছিলেন, তখন সাকিব তাদের ৪৭ রানের জুটি ভেঙে দেন। পরে ৩৪ রান করা ডিওন মায়ার্সের উইকেট নেওয়া সাকিব সে ম্যাচে ৪২ রান খরচায় ২ উইকেট শিকার করেন।

২৪১ রানের জয়ের লক্ষ্যে নামা বাংলাদেশ ১৮ ওভারের মধ্যে ৭৫ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায়। সে ম্যাচে ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নামা সাকিব ৫ম উইকেটে মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে ৫৫ রানের এবং ৭ম উইকেটে আফিফ হোসেনের সঙ্গে ২৮ রানের জুটি গড়েন।

বাংলাদেশের স্কোর যখন ৭ উইকেটে হারিয়ে ১৭৩ রান, তখনও জয়ের জন্য ৩ উইকেট হাতে রেখে ৭১ বলে ৬৮ রান প্রয়োজন ছিল টাইগারদের। তখনও আস্থার প্রতীক হিসেবে টিকে ছিলেন সাকিব। পরে সাইফুদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ৫ বল বাকি থাকতেই বাংলাদেশকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ৯৬ রানে অপরাজিত থাকা সাকিব।

একই সময়ের মধ্যে ৬ ম্যাচে ৬৭.৫০ গড়ে দুই শতকে ৪০৫ রান করেছেন পাকিস্তানের বাবর আজম। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার জান্নেমান মালান ৮ ম্যাচে দুই শতক ও দুই অর্ধশতকে ৮৪.৮৩ গড়ে করেছেন ৫০৯ রান। আর ১৪ ম্যাচে তিন শতক ও দুই অর্ধশতকে ৭৯.৬৬ গড়ে ৭০৫ রান করেছেন আইরিশ ওপেনার পল স্টার্লিং।

About

Popular Links