Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তামিমের বরিশালের কাছে সাকিবদের রংপুরের হার

রংপুর রাইডার্সের মতো শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে মাত্র ৯ উইকেটে ১৩৪ রানেই থামিয়ে দেয় তামিম ইকবালের দল। সে রানটা ৫ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায় বরিশাল

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:৪৭ পিএম

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রংপুরকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বরিশাল। প্রতিপক্ষের ১৩৪ রান ৫ বল হাতে রেখেই টপকে গেছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন দল।

শনিবার (২০ জানুয়ারি) বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে বরিশালের লক্ষ্য নাগালে রাখার কারিগর খালেদ। সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ সময় কাটানো এই পেসার ৩১ রানে নেন ৪ উইকেট। এই সংস্করণে এটিই তার প্রথম ৪ উইকেট। তার হাতেই ওঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

রংপুর রাইডার্সের মতো শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে মাত্র ৯ উইকেটে ১৩৪ রানেই থামিয়ে দেয় তামিম ইকবালের দল। সে রানটা ৫ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায় বরিশাল। 

রংপুরের এই হারে গত আসরের সেরা তিন দলের প্রতিটিই এবার যাত্রা শুরু করল পরাজয় দিয়ে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিন এই তিক্ত স্বাদ পায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্স।

মিরপুরের উইকেটে বড় রান করার সুযোগ ছিল রংপুরের ব্যাটসম্যানদের। কিন্তু বরিশালের দুই পেসার খালেদ ও মোহাম্মদ ইমরানের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি রংপুরের টপ অর্ডার।

শুরুটা হয় ইনিংসের প্রথম বলে পাকিস্তানের তরুণ পেসার ইমরানের দুর্দান্ত ইন সুইং ইয়র্কারে। স্ট্রাইকে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্র্যান্ডন কিং ব্যাট নামানোর আগেই বোল্ড। পরের ওভারে খালেদের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন আরেক ওপেনার রনি তালুকদার। একই ওভারে দুর্দান্ত ইনসুইংয়ে সাকিব আল হাসানের স্টাম্প উড়িয়ে দেন খালেদ।

দুই ওভার পর আরও একবার ধাক্কা খায় রংপুর। শ্রীলঙ্কান তরুণ দুনিত ভেল্লালাগের বাঁহাতি স্পিনে কাভারে ক্যাচ তোলেন আফগান আজমতউল্লাহ ওমরজাই (৬)। পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৩৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর ক্ষতিটা আর পুষিয়ে নিতে পারেনি রংপুর।

মাঝের ওভারে অধিনায়ক নুরুল হাসান, শামীম হোসেন ও শেষের দিকে মেহেদী হাসান ছোট ছোট জুটি গড়ে কিছু রান যোগ করেছেন। নুরুল ২৩ বলে করেছেন ২৩ রান। শামীমের ব্যাট থেকে এসেছে রংপুর ইনিংসের সর্বোচ্চ ৩৩ বলে ৩৪ রান। শেষের দিকে মেহেদীর ১৯ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় করা ২৯ রান রংপুরের রানটাকে নিয়ে যায় ১৩০-এর ঘরে।

৪ ওভারে ৩১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন খালেদ, টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে যা তার সেরা বোলিং। এছাড়া ৩ ওভারে ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

এ রানটা মোটেও যথেষ্ট ছিল না। অধিনায়ক তামিম আফগান ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানকে নিয়ে পাওয়ার প্লেতেই ৫১ রান তুলে ফেলেন। সাকিবের বলে ইব্রাহিম মারতে গিয়ে মিড উইকেটে মেহেদী হাসানের হাতে ১২ রানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তামিম ২৪ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন।

এরপর সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে ২৭ বলে ২৬ রান করে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম। ১৮ বলে ২০ রানে থেমেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে বরিশালের বড় কোন ক্ষতি হতে দেননি শোয়েব মালিক ও মাহমুদউল্লাহ। দুজন মিলে ১৫ বলে ২৫ রান যোগ করেন।

মাহমুদউল্লাহ ১১ বলে ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। ১৮ বলে অপরাজিত ১৭ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন মালিক। রংপুরের দুই বাঁহাতি স্পিনার সাকিব ও মুরাদ ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।

About

Popular Links