• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪১ দুপুর

পিটারসেনকে নিয়ে ভারতীয় বোর্ডে উত্তেজনা

  • প্রকাশিত ০২:৪৬ দুপুর মে ১৯, ২০১৮
পিটারসেনকে নিয়ে ভারতীয় বোর্ডে উত্তেজনা

ভারতীয় বোর্ডের বার্ষিক আয়োজন মনসুর আলী খান পতৌদি বক্তৃতায় ভাষণ দেওয়ার রীতি ভারতীয় ক্রিকেটারদেরই। অনেক দিন ধরে এমন রীতি চলে আসছিল। এবারই প্রথম ভারতের বাইরে কেভিন পিটারসেনকে বাছাই করায় উত্তেজনা ছড়াচ্ছে বোর্ডের কর্তাদের মাঝে।

বার্ষিক এই বক্তৃতায় আগের সব ক্রিকেটারই ছিলেন ভারতীয়। এরা হলেন সুনীল গাভাস্কার, অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষণ, রাহুল দ্রাবিড় ও ফারুক ইঞ্জিনিয়ার।

এবার রীতি ভাঙার পেছনে ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ব্যবস্থাপক সাবা করিম। তার এমন কাজে খুশি হতে পারেননি বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চৌধুরী। এই উদ্যোগের পর বিদ্রুপ করে অমিতাভ বলেছেন, ‘তার ইমেইল ও এমনটি করতে পেরে তার সন্তুষ্টি দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। দ্বিধায় পড়েছি এটা কি মনসুর আলী খান পতৌদির বক্তৃতা নাকি স্যার লেন হাটন অথবা স্যার ফ্র্যাঙ্ক উলির লেকচার।’

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তার এমন ক্ষোভের কারণ তিনি স্বদেশি কয়েক জনের নাম প্রস্তাব করেছিলেন সাবা করিমকে। উল্টো দিকে সাবা করিমের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন কুমার সাঙ্গাকারা, সৌরভ গাঙ্গুলী, নাসের হুসেইন ও কেভিন পিটারসেন। শুরুতে বোর্ডের পরিচালকরা সাঙ্গাকারাকে বেছে নিয়েছিলেন। এ সিদ্ধান্তেও আপত্তি জানিয়েছিলেন অমিতাভ চৌধুরী। পরে অবশ্য সাঙ্গাকারা এতে আসতে রাজি হননি।

অমিতাভের প্রস্তাবনায় ছিলেন সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার নরি কন্ট্রাক্টার, চান্দু বোর্দে, এরাপল্লি প্রসন্ন ও আব্বাস আলী বেগ। তাদের নাম প্রস্তাবনার পেছনে অন্যতম যে কারণটি ছিল সেটা হলো সবাই টাইগার পতৌদির সঙ্গে খেলেছেন। তাই এই সময়ে যেই চ্যালেঞ্জগুলো ভারতীয় ক্রিকেট মুখোমুখি হয়েছিল তার একটা পূর্ণ চিত্র হয়তো পাওয়া যেত।

অমিতাভ চৌধুরীর ক্ষোভের ব্যাখ্যায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, কাউকে হেয় করতে এমনটি করা হয়নি। বক্তৃতার মান উন্নয়নেই এমনটি করা হচ্ছে। সৌরভ গাঙ্গুলীর নাম গতবারও ছিল। কিন্তু একজন বোর্ড প্রশাসক হওয়ায় তাকে বেছে নিতে আপত্তি বোর্ডের। তাই যারা ভারতীয় ক্রিকেটের বন্ধু, বাকিদের উদ্দেশে এ নিয়ে কথা বলতে পারেন। এমন ভাবনা থেকেই পিটারসেনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।