• রবিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৫৩ সকাল

তোপের মুখে ফাইনাল ম্যাচের রেফারি!

  • প্রকাশিত ০২:৫৬ দুপুর জুলাই ১৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪১ সন্ধ্যা জুলাই ১৬, ২০১৮
t154726z-1335525657-rc1e9674a170-rtrmadp-3-soccer-worldcup-final-1531731327999.jpg
আর্জেন্টাইন রেফারি পিতানা। ছবি: রয়টার্স

বিশ্বকাপের ফাইনালে নিজের বাঁশিতে ভাগ্য গড়ে দেবার স্বপ্ন থাকে যে কোনো রেফারির। আর্জেন্টাইন রেফারি নেস্তর পিতানাও এর বাইরে নন। তবে, বিতর্কিত সিদ্ধান্তে সেই সুযোগ এখন কাল হয়েছে ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনাল চালনাকারী এ রেফারির। প্রাক্তন আর বর্তমান ফুটবলারদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। 

বিশ্বকাপের ফাইনালে নিজের বাঁশিতে ভাগ্য গড়ে দেবার স্বপ্ন থাকে যে কোনো রেফারির। আর্জেন্টাইন রেফারি নেস্তর পিতানাও এর বাইরে নন। তবে বিতর্কিত সিদ্ধান্তে সেই সুযোগ এখন কাল হয়েছে ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনাল চালনাকারী এ রেফারির। প্রাক্তন আর বর্তমান ফুটবলারদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। 

লুঝনিকিতে গতকাল ফাইনাল ম্যাচের শুরু থেকে প্রভাব ছিল ক্রোয়েশিয়ার। তবে ১৮ মিনিটে রেফারির এক ভুল সিদ্ধান্ত পালটে দেয় ম্যাচের হাওয়া। ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ করতে গিয়ে ডি–বক্সের একটু বাইরে পড়ে যান আঁতোয়ান গ্রিজমান। ফ্রি কিকের বাঁশি বাজান পিতানা। গ্রিজমানের ফ্রি কিক থেকে উড়ে আসা বল আটকাতে গিয়ে উল্টো জালে জড়িয়ে দেন মারিও মানজুকিচ।

টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে, গ্রিজমান নিজে থেকে ডাইভ দিয়েছিলেন। যেহেতু সিদ্ধান্তটি পেনাল্টি   কিংবা লাল কার্ড দেখার মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়, তাই ভিএআর সাহায্য নেননি রেফারি। 

খেলার মোড় পালটে দেয়া এ গোলে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পেনের সাবেক গোলরক্ষক ইকার ক্যাসিয়াস টুইটারে পোস্ট করেছেন, ‘সত্যি বলছি, আমি ভিএআরের প্রয়োজন বুঝতে পারছি না। রেফারি গ্রিজমানের ওপর ফাউলের বাঁশি বাজালো, যেটা আসলে ফাউলই ছিল না। এর দরুন ফ্রান্স গোল পেয়ে যায় এবং এরপরও কোনো কিছু করা হলো না!’

আরেক ধাপ এগিয়ে উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ আরও একটি ভুল তুলে ধরেছেন। গ্রিজমানের ফ্রি কিক থেকে মানজুকিচ মাথা ছোঁয়ালেও অফসাইডে ছিলেন ফ্রান্সের মিডফিল্ডার পল পগবা। ক্যাসিয়াসের টুইটের সহমতে এই বার্সা ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘ক্যাসিয়াস, তুমি ঠিক বলেছ। আর পগবা অফসাইডে ছিল এবং সে খেলার মধ্যেই ছিল।’

২০০২ সালে বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান মিড রিভালদোও চটেছেন এই আর্জেন্টাইন রেফারির ওপর। ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘ফ্রান্স এমন এক গোল দিয়ে এগিয়ে গেছে, যেটা দেওয়া উচিত হয়নি। কারণ, এটা ফাউলই ছিল না, বিশ্বকাপের মতো আসরের ফাইনালে রেফারির এমন ভুল অনাকাঙ্খিত। আমার মতে, ক্রোয়েশিয়ার মূল ক্ষতি তখনই হয়েছে।’