• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০২ রাত

রাশিয়ান 'রজনীকান্ত' পুতিন

  • প্রকাশিত ১২:০৩ রাত জুলাই ১৮, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৩ রাত জুলাই ১৮, ২০১৮
putinkanto-russia-1531850159364.jpg
প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিলেন পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন বলছেন, পুতিন দেখিয়ে দিলেন কেন তিনি পুতিন। কেউ বা আবার বলছেন, ছাতা দিয়েই তিনি বাকি সবার আলো ঢেকে দিলেন। আবার পুতিনের ‘পাওয়ার স্ট্যান্স’ দেখে অনেকেরই মনে এসেছে ‘গডফাদার’-এর কথা।

২০১৮ এর বিশ্বকাপের শেষে যেখানে এমবাপ্পে, কিংবা কলিন্দা গ্রাবারের প্রাণোচ্ছল উপস্থিতি নিয়ে আলচনা হবার কথা, সেখানে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু পুতিনের ছাতা।

ঘটনাটি রোববারের ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সময়ের। পুরস্কার প্রদান শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মস্কোয় শুরু হয়ে যায় প্রবল বৃষ্টি। মঞ্চে ছিলেন ইনফান্তিনো, পুতিন, ইমানুয়েল মাখোঁ ও কলিন্দা গ্রাবার। বৃষ্টির আসতে পারে দেখেই হয়তো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিলেন পুতিন। বৃষ্টি শুরু হতেই পুতিনের দেহরক্ষী বিশাল ছাতা খুলে ধরেন তাঁর মাথায়। এদিকে যে দুই পাশে থাকা জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ইমানুয়েল মাখোঁ ও কলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ ভিজে যাচ্ছেন সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। ছাতার নিচে পুতিনের মুখে অকৃত্রিম স্মিত হাসি। মুহূর্তটি চোখ এড়ায়নি নেটিজেনদের। তাই পুরস্কার বিতরণীর পর থেকে আর সব বিষয়কে বাদ দিয়ে শুরু হয় পুতিনের ছাতা নিয়ে যত ঠাট্টা-রসিকতার ঝড়। 

কিছুক্ষণ পরেই বাকি তিনজনের মাথায় ছাতা মেলে ধরা হয়। সেই ছবিতে একজনের মন্তব্য এমন, ‘স্যার, আমরা কয়টি ছাতা আনব? পুতিনের উত্তর, শুধু একটা। তারা আমাদের জিততে দেয়নি। তাদের ভিজতে দাও।’ 

একজন তো ভারতের দক্ষিণের সিনেমার অন্যতম শক্তিমান অভিনেতা রজনিকান্তের সঙ্গে পুতিনের তুলনা করে বলেই বসলেন, ‘পুতিন হলেন রাশিয়ান রজনীকান্ত।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন বলছেন, পুতিন দেখিয়ে দিলেন কেন তিনি পুতিন। কেউ বা আবার বলছেন, ছাতা দিয়েই তিনি বাকি সবার আলো ঢেকে দিলেন। আবার পুতিনের ‘পাওয়ার স্ট্যান্স’ দেখে অনেকেরই মনে এসেছে ‘গডফাদার’-এর কথা।

ট্রল যতই হোক, এই কথা মানতেই হবে, বিশ্বকাপের আয়োজনের জন্য সবার প্রশংসার দাবিদার রাশিয়া। আয়োজনের কোথাও কোনো ঘাটতি ছিলনা। জমকালো স্টেডিয়াম, এমনকি স্টেডিয়ামে বিনা মূল্যে ট্রেনযাত্রার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই সাধুবাদ পাওয়ার মতোই কাজ করেছে রাশিয়া। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গ, সমালোচনা যতই হোক কেউ কেউ আবার প্রশংসাও করেছেন। বলেছেন, এতেই প্রমাণিত হয় তিনিই আসলে বস। তিনি রাশিয়ান রজনীকান্ত।