• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৪৪ দুপুর

কেন সাম্পাওলির উপর রেগেছিলেন মেসি?

  • প্রকাশিত ১০:০৫ সকাল জুলাই ২২, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১১ সকাল জুলাই ২২, ২০১৮
x640-1532232320894.jpg
মেসি এবং সাম্পাওলি। ছবি: রয়টার্স

বিশ্বকাপে মেসি-সাম্পাওলির মধ্যে কি ঘটেছিল জেনে নিন-

আর্জেন্টিনার নামের পাশে হোর্হে সাম্পাওলি নামটি এখন অনেকটাই বেমানান। কেননা ব্যর্থতা গ্রাস করে সকল সফলতাকে। তাইতো কোপা আমেরিকাজয়ী এই কোচের সকল অতীত ভুলে এখন শুধু বিশ্বকাপ ব্যর্থতার তকমা ঝুলছে। শুধু এই টুকুতেই শেষ নয়। প্রতিনিয়িত মুখে চুনকালি মেখে দিয়েছে সমালোচকরা। এক পর্যায়ে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন। তবে সাম্পাওলির আর্জেন্টিনা না থাকার ইঙ্গিত বিশ্বকাপেই পাওয়া গেছে। কেননা ব্যর্থতার পাশাপাশি মূল তারকা লিওনেল মেসি ও হাভিয়ের মাচেরানোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কিছুটা ফাটল ধরেছে গ্রুপ পর্বেই। 

গ্রুপ পর্বে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি আর্জেন্টিনার লজ্জার হাত থেকে বাঁচার এক মাত্র সম্বল। তবে সে ম্যাচের পূর্বেই গুঞ্জন উঠেছিল কোচকে নিয়ে অনেকটাই অসন্তুষ্ট ছিলেন মেসি এবং তাঁর সতীর্থরা। সাম্পাওলির অধীনে খেলতে অনীহা তাঁদের। তখন এমন খবরকে আমলে নেননি এএফএ। কিন্তু আর্জেন্টিনার সাংবাদিক আরিয়েল সেনোসিয়াইন জানিয়েছন, এমন সব ঘটনার সবই সত্য! 

টিওয়াইসি স্পোর্টসের এই সাংবাদিক ও ওলে পত্রিকার কলামিস্ট সেনোসিয়াইন নতুন এক বই প্রকাশ করেছেন। মুন্দিয়াল এস হিস্তোরিয়াস নামের সে বইয়েই বিশ্বকাপের সে সব রমরমা সময়ের কথা উঠে এসেছে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হারের পরই মেসি ও মাচেরানোর সাথে  সাম্পাওলি ও তাঁর স্টাফদের  খোলামেলা আলোচনায় হয়েছিল। 

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সে হারে খেলোয়াড়েরা সাম্পাওলি ও তাঁর দুই সহকারী সেবাস্তিয়ান বেচ্চাচেচে ও লিওনেল স্কেলোনিকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। মিটিংয়ের উদ্দেশ্য ছিল সাম্পাওলিকে জানিয়ে দেওয়া, তাঁর ওপর দল আস্থা হারিয়েছে। সাম্পাওলিকে সরাসরি বলা হয়েছিল, ‘আমরা বুঝছি না তুমি কী বলো, তোমার ওপর আমরা আর বিশ্বাস রাখতে পারছি না এবং আমাদেরও কিছু মত আছে।’ সাম্পাওলি পাল্টা প্রশ্নে কোন ব্যাপারে মত জানাতে চায় স্কোয়াড। উত্তরে খেলোয়াড়েরা জানিয়েছেন, সবকিছুতেই! তারপরই মেসি নিজের বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। 

সাম্পাওলি মুখ খোলেন অনেকবার মেসির কাছ থেকে পরামর্শ চেয়েছেন, ‘তুমি আমাকে দশবার জিজ্ঞেস করেছ, কোন খেলোয়াড়কে আমি মাঠে দেখতে চাই এবং কাকে দেখতে চাই না। আমি কখনোই তোমাকে নাম বলিনি।’ এরপর মেসি খেপেছিলেন ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে।