• বুধবার, জুলাই ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৩৬ রাত

শোকাহত নেইমার!

  • প্রকাশিত ০৯:২৬ রাত জুলাই ২২, ২০১৮
meymar-1532272987463.jpg
সন্তান ডেভি লুক্কার সঙ্গে নেইমার। ছবি: এএফপি

নেইমার নিজেই বললেন, শেষ আট থেকে বিদায়ের পর তিনি বিশ্বকাপে আর কোনো খেলা দেখেননি। এমনকি যে বলটা তাঁর ধ্যানজ্ঞান, সেই বলটাও দেখতে ইচ্ছে হতো না!

বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। এরপর থেকেই নেইমার শুধু শোকই পালন করেছেন। 

শনিবার সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলের এই তারকা বলেন, ‘শোক পালন করেছি। ভীষণ দুঃখ লেগেছে। তবে সেই পরিস্থিতিটুকু পার হয়ে এসেছি। আমার সন্তান আছে, পরিবার আছে আর বন্ধু-বান্ধব। ওরা কেউ আমাকে এমন নিস্তেজ দেখতে চায়নি।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে ৫ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেছিলেন নেইমার। কিন্তু তাঁর দল শেষ আটের বাধা টপকাতে ব্যর্থ হয়। কতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, তা বলেছেন নেইমার নিজেই, ‘এমন নয় যে আর কখনো খেলতে চাইনি, কিন্তু বলের দিকে তাকানোর ইচ্ছে হতো না। কোনো ম্যাচও দেখিনি।’

চার বছর আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপেও কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ার পর নেইমার ভয়ানক মুষড়ে পড়েছিলেন। রাশিয়া বিশ্বকাপেও এর ব্যত্যয় হয় নি। নেইমার নিজেই বললেন, শেষ আট থেকে বিদায়ের পর তিনি বিশ্বকাপে আর কোনো খেলা দেখেননি। এমনকি যে বলটা তাঁর ধ্যানজ্ঞান, সেই বলটাও দেখতে ইচ্ছে হতো না!

গ্রুপ পর্ব থেকে শেষ আট পর্যন্ত নেইমার বেশ ভালো খেললেও ‘ডাইভ’ দেওয়ার দোষে সমালোচিতও হয়েছেন কড়াকড়িভাবে। নেইমারকে ঠাট্টা করে প্রচুর ‘ট্রল’ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। হয়েছে ‘ডাইভিং’ বিতর্ক নিয়ে মজার কিছু প্রতিযোগিতাও। এসব নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই খেলোয়াড়টি বললেন, ‘এগুলো রসিকতার চোখেই দেখেছি। এমনকি আমি নিজেই শিশুদের সঙ্গে এ নিয়ে মজা করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছি।’

প্রতিপক্ষের ট্যাকলের শিকার হওয়া নিয়ে এই পিএসজি তারকার ভাষ্য, ‘প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে ড্রিবল করাই আমার খেলা। তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি না “হে প্রিয়, দয়া করে পথ ছাড়ো, একটা গোল করব।” এটা মনে করছেন সব সময় ট্যাকলের শিকার হতে ভালোবাসি? না, এটা খুব কষ্টের। ব্যথা লাগে। ম্যাচ শেষে চার-পাঁচ ঘণ্টা বরফ লাগাতে হয়। এই অভিজ্ঞতা না থাকলে কখনো তা বুঝতে পারবেন না।’