• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫৫ সকাল

ওজিলের বর্ণবাদী অভিযোগ নাকচ করেছে জার্মানি

  • প্রকাশিত ০২:১২ দুপুর জুলাই ২৪, ২০১৮
ozil.jpg
মেসুত ওজিল।ছবি: রয়টার্স

‘ডিএফবির বর্ণবাদে জড়িত থাকাটা আমরা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করি। বহু বছর ধরে জার্মানিতে জাতিগত ঐক্য তৈরিতে ডিএফবি কাজ করে আসছে’।

জার্মান ফুটবলে ‘বর্ণবাদী এবং অশ্রদ্ধামূলক’ আচরণ পাওয়ার অভিযোগ তুলে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ২৯ বছর বয়সী মেসুত ওজিল। ওজিলের বর্ণবাদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন (ডিএফবি)।  

জার্মানির ফুটবল ফেডারেশন ডিএফবি জানিয়েছে, ‘ডিএফবির বর্ণবাদে জড়িত থাকাটা আমরা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করি। বহু বছর ধরে জার্মানিতে জাতিগত ঐক্য তৈরিতে ডিএফবি কাজ করে আসছে’। 

অনেকটা অভিমান নিয়েই দল ছেড়েছেন ওজিল। তার বিদায়ের বেলায় কন্ঠে ছিল ক্ষোভের চাপ,  ‘অনেক ভেবে ও হৃদয়ে পাথর রেখে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা হয়েছে তাতে জার্মানির হয়ে কোনও পর্যায়ে আর আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলবো না।’ 

ওজিলের দল থেকে অবসরের কারণ জানিয়েছেন খোলামেলা ভাবে, ‘আমার মনে হয়েছে আমার প্রতি বর্ণবাদী আচরণ ও অসম্মান দেখানো হয়েছে।’ 

তবে, তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে ভিন্ন মতামত, ‘আমরা প্রবলভাবেই এর আপত্তি করছি। সম্প্রীতি রক্ষা করা আমাদের লক্ষ্য। সব পর্যায়ে আমরা সেটাই করে আসছি।’ 

প্রসঙ্গত তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের সঙ্গে কয়েক মাস আগে তোলা এক ছবিকে ঘিরে তোপের মুখে পড়েছিলেন ওজিল। জার্মান বংশোদ্ভূত হলেও ওজিলের বাবা-মা তুরস্ক বংশোদ্ভূত। 

সেই প্রসঙ্গ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন, ‘তুরস্ক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তোলার বিষয়টি জার্মানিতে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল। আত্মসমালোচনার জায়গায় থেকে এটা বলতেই পারি, ডিএফবি ওই সময় এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল। ইস্যুটিতে ওজিলকে যথেষ্ট সহায়তা বা নিরাপত্তা দেয়নি। তাতে আমরা অনুতপ্ত। আর আমরা ডিএফবিতে একই সঙ্গে জয় উদযাপন করি, একই সঙ্গে হারটা মেনে নেই।’

ডিএফবির মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছিলেন ওজিল, ‘আমি জয় পেলেই গ্রিন্ডেল ও তার সমর্থকদের চোখে তখন জার্মান, কিন্তু যখন হেরে যাই তখন আমি একজন বহিরাগত।’  

তবে তার বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছে ডিএফবি, ‘এটা দুঃখজনক যে মেসুত ওজিল উপলব্ধি করেছে যে বর্ণবাদী স্লোগানের লক্ষ্যবস্তু হওয়া থেকে বাঁচতে সে যথেষ্ট সমর্থন পায়নি’।