• রবিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৭ রাত

এশিয়া কাপ : কেন বাড়তি সুবিধা পেল ভারত?

  • প্রকাশিত ০৩:৪৯ বিকেল সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮
বিসিবি
বিসিবি

এশিয়া কাপের আয়োজক এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) বিনা নোটিশে টুর্নামেন্টের ফরম্যাট এবং সময়সূচি পরিবর্তন করেছে যাতে করে ভারতের সবগুলো ম্যাচ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার দুবাইয়ে এসিসি’র আয়োজক কমিটির কাছে টুর্নামেন্ট চলাকালীন কোনো আগাম নোটিশ ছাড়া খেলার সময়সূচি পরিবর্তনের কারণ জানতে চেয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান সহ বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। 

এই প্রশ্নের যথার্থ উত্তর পাওয়া না গেলে তা এসিসি’র পরবর্তী বোর্ড মিটিংয়ে ইস্যু হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। উল্লেখ্য যে, বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন ও সিইও নিজামুদ্দীন চৌধুরী এসিসি’র কার্যকরী কমিটির সদস্য।

এশিয়া কাপের আয়োজক এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) বিনা নোটিশে টুর্নামেন্টের ফরম্যাট এবং সময়সূচি পরিবর্তন করেছে যাতে করে ভারতের সবগুলো ম্যাচ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

ছয়-জাতির এ টুর্নামেন্টে প্রত্যেক গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ান ও রানার্স-আপ দল দু’টি ‘সুপার ফোর’এ খেলবার কথা ছিলো। 

কিন্তু পয়েন্টের লড়াইকে মুলতবি রেখে গ্রুপের শীর্ষ দুই দল ‘সুপার ফোর’এ খেলবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ দলের এক সূত্র। এখানে চ্যাম্পিয়ান বা রানার্স-আপ হওয়াটা মূখ্য নয়। 

এটা জানার পরপরই বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট আয়োজক কমিটির সাথে যোগাযোগ করেও কোনো সন্তষজনক উত্তর পায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ দলের এক সূত্র বলেন, ‘তারা (আয়োজক কমিটি) এটাও দাবী করেছিল যে সবসময় নাকি এভাবে সূচি করা হয়, যেটা আসলেই হাস্যকর। আমরা সব সময়ই দেখে আসছি যেকোনো টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্ব থেকে চ্যাম্পিয়ান ও রানার্স-আপ হিসেবেই পরবর্তী রাউন্ডে যায় দলগুলো। আমাদের বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দুবাইয়েই আছেন, তারা এসিসি’র সাথে আলোচনা করছেন।’

এদিকে, নিজামুদ্দীন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, টুর্নামেন্টের মধ্যবর্তী সময়ে এরকম সূচি পরিবর্তন অনাকাঙ্খিত এবং এসিসি’র কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে সন্তষজনক উত্তর না দিতে পারলে এসিসি’র পরবর্তী বোর্ড মিটিংয়ে এই ইস্যু উত্থাপন করা হবে।’

এই পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের জন্য মুশকিল বাড়লো। আজ বৃহস্পতি ও আগামীকাল শুক্রবার টানা দু’দিনে দুই ম্যাচ খেলতে হবে টাইগারদের। তাও আবার ১৩৯ কিলোমিটার দূরের দুই ভিন্ন স্টেডিয়ামে। অর্থাৎ, কোনো বিরতি ছাড়াই মরুভূমির এদেশে ২৭৮ কিলোমিটার বাসে যাতায়াত করে দু’টি ম্যাচ খেলতে হবে মাশরাফি-সাকিবদের। 

রবিবার আফগানিস্তানের সাথে খেলে আবার বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশ দলকে। এই প্রশ্নবিদ্ধ ও অনৈতিক পরিবর্তনে আয়োজকদের উপর চটেছেন টাইগার অধিনায়ক নিজেও।