• রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৩ রাত

কায়েস-মাহমুদুল্লাহ নৈপুণ্যে ২৫০ রানের টার্গেট আফগানদের সামনে

  • প্রকাশিত ১০:৩৯ রাত সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮
কায়েস-মাহমুদুল্লাহ
কায়েস-মাহমুদুল্লাহ নৈপুণ্যে ২৫০ রানের টার্গেট ছিল আফগানদের সামনে। ছবি: বিসিবি

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১১ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৫ রান সংগ্রহ করে ব্যাকফুটে আফগানিস্তান।    

কাজে লেগেছে মাশরাফির টোটকা! ওপেনিং নেই একাদশে থাকা ইমরুল কায়েস! প্রশ্নটা স্বভাবতই ভাবিয়ে তুলেছে ক্রিকেটপ্রেমী সাধারণ মানুষদের। তবে ম্যাশের পরিকল্পনা হয়তো এখন কিছুটা পরিষ্কার সবার কাছে। ছয় নম্বরে নেমে ইনিংসের মেরামত করেই ক্ষান্ত হয়ে যাননি দীর্ঘদিন দলের বাইরে থাকা এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত দলকে এনে দিয়েছেন সম্মানজনক ও চ্যালেঞ্জিং স্কোর। 

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রবিবার নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। একাদশে ফিরলেও ওপেন করেননি ইমরুল কায়েস। তবে নতুন কৌশলেও অভাব পূরণ হয়নি তামিমের। ৫ম ওভারে দলীয় ১৬ রানেই নাজমুল হোসেন শান্তকে আর তিন বল পরেই ৩ নম্বরে নামা মোহাম্মদ মিঠুনকেও সাজঘরে ফিরিয়ে টাইগারদের চাপে ফেলে আফগানরা।

টাইগারদের মিডল অর্ডারের মিঃ ডিপেন্ডেবল মুশফিক, ওপেনার লিটন দাসের সাথে কিছুটা সামলে নিলেও রাশিদ খানের ঘূর্ণীতে আবারও দিশেহারা টাইগার শিবির। ম্যাচের ১৯ তম ওভারে ব্যক্তিগত ৪১ রানে লিটনকে প্যাভিলনে ফেরান বিশ্ব ক্রিকেটে আফগানদের ফেরিওয়ালা।

‘মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ’ হয়ে বসলো সাকিবের রানআউট। এক ওভার পরেই বিতর্কিত রানআউটের ফাঁদে সাজঘরে মুশফিক। ২০ ওভার ৫ বলে মাত্র ৮৭ রানেই নেই ৫ উইকেট! 

এরপরেই গল্পের মোড়! মাহমুদুল্লাহ আর ইমরুল কায়েসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে আশার মুখ দেখে টিম বাংলাদেশ। ১২৮ রানের পার্টনারশিপে দলকে এনে দেন চ্যালেঞ্জিং স্কোর। 

নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৯ রান সংগ্রহ করে টিম টাইগার্স। আফগানদের পক্ষে আফতাব ৩টি এবং রাশিদ ও মুজিব নেন ১টি করে উইকেট। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১১ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৫ রান সংগ্রহ করে ব্যাকফুটে আফগানিস্তান।     

এর আগে গ্রুপ পর্বে আফগানদের বিপক্ষে লজ্জাজনকভাবে হারে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই তামিম ইকবাল ইনজুরিতে পড়ার কারণে ওপেনিংয়ে ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরুতে পারছে না বাংলাদেশ। লিটন দাস এবং নাজমুল হোসেন শান্ত ওপেনিংয়ে ব্যর্থ হয়েছেন।

ওপেনিংয়ের ব্যর্থতার দূর করতে হঠাত করেই দুবাইয়ে পাঠানো হয় ইমরুল কায়েস এবং সৌম্য সরকারকে। সৌম্য একাদশে জায়গা না পেলেও ফিরেছেন ইমরুল। তবে ওপেনিংয়ে তার পরিবর্ত খেলছেন শান্ত।

টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে আজকের ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের কোনো বিকল্প নেই।