• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৬ রাত

২ সপ্তাহের মধ্যে অনুশীলনে ফিরবেন মাশরাফি

  • প্রকাশিত ০৯:৪৫ রাত অক্টোবর ৩, ২০১৮
মাশরাফি বিন মুর্তজা
এশিয়া কাপের ম্যাচে বল করছেন মাশরাফি। ছবি: এএফপি।

গতমাসে পাকিস্তানের সাথে এশিয়া কাপের খেলার সময় অবিশ্বাস্য এক ক্যাচের মাধ্যমে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিককে সাজঘরে পাঠান নড়াইল এক্সপ্রেস। কিন্তু, বলটা তার হাতে এতই জোরে আঘাত করেছিল যে, ক্যাচ নেয়ার পরেই ব্যথার কারণে মাঠ ছাড়তে হয় মাশরাফিকে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বিসিবির কার্যালয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফির চোটের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছেন।  

দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, 'মাশরাফির হাতের অনামিকা ও কনিষ্ঠ আঙুলে আঘাত ছিল। এর মধ্যে ছোট আঙুলের আঘাতটাই বেশি গুরুতর। এটা সারতে তিন সপ্তাহের মতো সময় লাগে। এর মধ্যে কিছু সময় চলে গেছে। আমরা আশা করছি সপ্তাহ দু-একের মধ্যে ও খেলায় ফিরে আসতে পারে।'

উল্লেখ্য, গতমাসে পাকিস্তানের সাথে এশিয়া কাপের খেলার সময় অবিশ্বাস্য এক ক্যাচের মাধ্যমে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিককে সাজঘরে পাঠান নড়াইল এক্সপ্রেস। কিন্তু, বলটা তার হাতে এতই জোরে আঘাত করেছিল যে, ক্যাচ নেয়ার পরেই ব্যথার কারণে মাঠ ছাড়তে হয় মাশরাফিকে। এর পরে হাতে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে মাঠে ফিরলেও চোট থেকে রেহাই মেলেনই বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়কের।

তবে, এখানেই শেষ নয় মাশরাফির চোটের বৃতান্ত। মাশরাফি চোট পেয়েছেন উরুতেও। এই চোট নিয়েই খেলেছেন ফাইনাল। তবে মাশরাফির এই উরুর চোট নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে পারেননি বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। 

তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, 'ওর পায়ে বলের সরাসরি আঘাত লেগেছিল। এতে উরুতে রক্ত জমে যায়। স্ক্যান করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এটা রক্ত জমাট বেঁধে তৈরি হয়েছে। তবু এটা আমরা সুনিশ্চিত হতে কাল আরও একটা স্ক্যান করব। তখন নিশ্চিত হওয়া যাবে যে, এটা জমাট বাধা রক্ত নাকি অন্য কিছু। যদি জমাট বাধা রক্ত না হয়, তাহলে দুটি উপায়ে এগোনো যেতে পারে। একটা একটু রক্ষণশীল উপায়ে। সাধারণত দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে শরীরই এটা শুষে নেয়। সেটা না হলে অস্ত্রোপচার করে সরিয়ে ফেলতে হয়।'

অন্যদিকে, বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও আঙুলের চোট নিয়ে সবেমাত্র অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। চোট পেয়ে চিকিৎসাধীন তামিমও। অন্যদিকে মুশফিকের পাঁজরের চোট তাকে আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজে অনিশ্চিত করে তুলেছে। অন্যদিকে মাহমুদুল্লাহর চোটটাও পাঁজরে যা নিয়ে কাল জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। সব মিলিয়ে দলের প্রধান পাঁচ স্তম্ভই চোটের কারণে আপাতত দলের বাইরে।

এদিকে, এই চোট জর্জরিত অবস্থাতেই আগামী ২১ অক্টোবর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামবে টাইগাররা।