• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩১ দুপুর

চেনা মাঠে অচেনা উইকেট

  • প্রকাশিত ০১:০৮ দুপুর অক্টোবর ২১, ২০১৮
মিরপুরের উইকেট
টাইগারদের কোচ স্টীভ রোডস মিরপুরের উইকেট পর্যবেক্ষণ করছেন। ছবি: মোঃ মানিক/ ঢাকা ট্রিবিউন।

'বেশির ভাগ সিনিয়র খেলোয়াড় গত ১০ বছর এই উইকেটে খেলছে তাই আমরা অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি'

মিরপুরের উইকেট থেকে আদৌ কি কোন সুবিধা পান টাইগাররা? অতীতেও এই প্রশ্ন উঠেছে অসংখ্যবার। এর কারণ মিরপুরের উইকেটের রহস্যজনক আচরণ। যে কারণে নিজেদের মাটিতে খেলেও উইকেট নিয়ে সন্দিহান থাকেন টাইগাররা। যেখানে অন্য দেশের ক্রিকেটাররা নিজেদের সুবিধামত উইকেট পেয়ে থাকেন।

অন্যান্যবারের মতো এবারও আলোচনা শুরু হয়েছে মিরপুরের উইকেট নিয়ে। তবে, টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি মনে করেন মিরপুরের উইকেটের অনিশ্চিত প্রকৃতিকে সামাল দেওয়ার মতো সামর্থ্য টাইগারদের আছে। তবে, আত্মবিশ্বাসী হলেও মিরপুরের উইকেট নিয়ে কোন নিশ্চয়তা দিতে পারলেন সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময়।   

মাশরাফি বলেন, "ভালো উইকেটে খেলতে চেয়েছি, এখন ভালো উইকেট হলেই হয়। কিন্তু মিরপুরের উইকেট, তাই আগে থেকে অনুমান করা একটু কঠিন।  আপনারাও দেখেছেন হঠাৎ করে টার্ন বা বল নিচু হয়ে আসে। তখন কিন্তু যারা ব্যাটিং করছে তাদেরও ভাবনা পরিবর্তন করতে হচ্ছে। বাইরে যারা থাকে তাদেরও ভাবনায় পরিবর্তন আনতে হয়। অননুমেয় হলেও আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। বেশির ভাগ সিনিয়র খেলোয়াড় গত ১০ বছর এই উইকেটে খেলছে। আমরা অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। ঘরোয়া ক্রিকেটেও যারা খেলছেঅভ্যস্ত হয়ে গেছে। আপনি যদি দেখেন এক দিক দিয়ে সুবিধাও থাকে। আচরণ যখন বদলাতে থাকে তখন প্রতিপক্ষের জন্য একটু কঠিন হয়। আমরা যখন ২০১৫ থেকে নিয়মিত জেতা শুরু করেছি তখন থেকে এই মাঠে আমাদের রেকর্ড ভালো। আমার মনে হয় এই উইকেটে আমাদের মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবে না।"

সাধারণত মিরপুরের উইকেটে যারা আগে ব্যাটিং করে তারা বেশী সুবিধা পেয়ে থাকে। কারণ ম্যাচের ২য়ভাগে ফ্লাডলাইটে উইকেটের আচরণ দ্রুত বদলাতে থাকে।

বাংলাদেশ বরাবরই স্পিন অ্যাটাক দিয়ে জিম্বাবুয়েকে ধরাশায়ী করেছে। কিন্তু বিগত বছর গুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে যে বাংলাদেশের বোলিং অ্যাটাকের নেতৃত্বে এখন পেস বোলাররা।

মিরপুরের উইকেটে স্পিনারদের বেশী সুবিধা পাবার সুযোগ থাকলেও তিন পেসার নিয়েই খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন ক্যাপ্টেন মাশরাফি।

তবে, রুবেল ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ায় তার যায়গায় আসতে পারেন অলরাউন্ডার পেস বোলার সাইফুদ্দিন। যথারীতি পেস অ্যাটাকের নেতৃত্ব দেবেন মাশরাফি আর তার সাথে থাকবেন মুস্তাফিজ। 

মাশরাফি বলেছেন, "যেকোনো কন্ডিশনেই আমরা তিনজন পেসার খেলিয়েছি। আমরা সব সময়ই পেস অ্যাটাককে প্রাধান্য দিয়ে এসেছি এবং পেস অ্যাটাক ভালোও করছে। কিছু সময় প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও এই পেস অ্যাটাকই অনেক ম্যাচ জেতানো পারফর্মেন্স দেখিয়েছে। আগে আমরা স্পিন অ্যাটাক দিয়ে জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছি। এটা আমাদের মাথায় আছে। তবে আমরা আপাতত পেস অ্যাটাককেই প্রাধান্য দেব।"