• শনিবার, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫৩ সন্ধ্যা

বায়ুদূষণ নয়, খেলাতেই পূর্ণ মনোযোগ টাইগারদের

  • প্রকাশিত ০৩:৩২ বিকেল নভেম্বর ৩, ২০১৯
বাংলাদেশ-ভারত
শনিবার (২ নভেম্বর) দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা মুখে মাস্ক পরে অনুশীলনে যোগ দেন। ছবি: এএফপি

অবশ্য, ভারতীয় গণমাধ্যম বিসিসিআই এর সমালোচনা করে প্রশ্ন রেখেছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কেন এরকম বায়ুদূষণের মধ্যে দিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করতে গেলো? 

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ বায়ুদূষণের মধ্যেই রবিবার (৩ নভেম্বর) দেশটির বিরুদ্ধে প্রথম টি-টুয়েন্টিতে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে। 

অবশ্য, টাইগারদের মূল মনোযোগের বিষয় এখন শুধুই ক্রিকেট। বায়ুদূষণের মত প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণে থাকা কোনও বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই হাতে নেই বাংলাদেশ দলের।

একটি পূর্ণাঙ্গ সফর নিয়ে ভারত যাওয়া টাইগার বাহিনী বুধবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছায়। এরপর বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছে। অবশ্য প্রথম দু’দিন বায়ুদূষণের কারণে চোখজ্বালা আর গলাব্যথা নিয়ে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। তবে, রবিবারের ম্যাচের চিন্তায় অন্যসব অসুবিধা আমলেই নেননি টাইগাররা। একইসাথে, আর কোনও বিকল্প না থাকায় শনিবারের অনুশীলন বেশ ভালোই হয়েছে তাদের।

শনিবার অনুশীলন শেষে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেন, “দেখুন, এই পরিস্থিতি আমাদের হাতের নাগালের কোনও বিষয় না। তাই এটিকে পাশে সরিয়ে রেখে আমরা কেবল রবিবারের প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচ নিয়েই ভাবছি। আমাদের লক্ষ্য শুধুই ম্যাচ জেতা।”

তিনি বলেন, “প্রথম যেদিন এখানে এসেছি, বাতাস অনেক বেশি ধোঁয়াটে ছিলো। টাইগাররা তিনদিন যাবৎ প্র্যাকটিস করছে, আর আমাদের মূল চেষ্টাই হলো এই আবহাওয়ায় নিজেদের মানিয়ে নেওয়া। দেখতেই পাচ্ছেন আমরা সবাই এখনও সুস্থ আছি আর সব মনোযোগ খেলায় দিয়েছি।”

দিল্লির বায়ুমানের সূচক গত কয়েকদিনে ৪৭৭’এ পৌঁছেছে। যেখানে ঢাকার মান মাত্র ১৫০। বায়ুমান ১০১ থেকে ২০০’র মধ্যে থাকা মানে হলো, এটি স্বাভাবিকভাবে জনসাধারণের হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষকরে, শিশু ও বৃদ্ধদের ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব পড়ার আশংকা থাকে।  

এই পরিস্থিতিকে “ভয়াবহ” আখ্যা দিয়ে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শহরটিতে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি (পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি) অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এইপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (১ নভেম্বর) আগামী মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) পর্যন্ত রাজধানীর স্কুলগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানকার প্রশাসন।

এদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যম “দ্য বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া” (বিসিসিআই) এর সমালোচনায় সরব হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কেন এরকম বায়ুদূষণের মধ্যে দিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করতে গেলো?