• বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৩ রাত

ট্রিলিয়ন ডলার মাইলফলকে অ্যামাজন

  • প্রকাশিত ১২:২৪ দুপুর সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮
অ্যামাজন
গতকাল খুব অল্প সময়ের জন্য অ্যামাজনের বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। ছবিঃ এএফপি

গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটি তাদের মুনাফার প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছে এবং ওয়্যারহাউজ, ডাটা সেন্টার এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কে ব্যপক বিনিয়োগ করে আসছে।

অ্যামাজন এর বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। অ্যাপলের পর প্রথম কোম্পানি হিসেবে অ্যামাজন এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। গত ২ দশক ধরে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে অ্যামাজন ইন্টারনেটের বাজার শাসন করে এসেছে। 

গ্যারাজের মধ্যে একটি ছোট বই এর দোকান থেকে বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী ই-কমার্স সাইট হয়ে ওঠার এই সুদীর্ঘ পথে অ্যামাজনের কার্যক্রমের মূল ভিত্তি ছিল সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা এবং উদ্ভাবনী শক্তি। 

১৯৯৪ সালে জেফ বেজস এর হাত ধরে প্রথমে ‘ক্যাডাব্রা’ নামে পথচলা শুরু হয়েছিল অ্যামাজনের। ব্যবসার পূঁজি বলতে তখন ছিল বাবা মায়ের কাছ থেকে ধার করা অর্থ। সেই ছোট ক্যাডাব্রা এখন অ্যামাজন নামে অ্যাপলের পর ২য় মার্কিন কোম্পানি হিসেবে ১ ট্রিলিয়ন এর মাইলফলক অর্জন করেছে। গতমাসেই অ্যাপল ট্রিলিয়নের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে এবং বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়নের উপরেই বজায় রেখেছে। এরপর গতকাল খুব কম সময়ের জন্য অ্যামাজন এর বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন এর উপরে ওঠে। 

প্রতিষ্ঠানটির গ্লোবাল ডাটা রিটেইল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিল সন্ডার্স তাদের এই অর্জনকে অসাধারণ এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক ব্যপকতার পরিচায়ক বলে অভিহিত করেছেন। 

তিনি বলেন, ‘এত ব্যপক ও বিস্তৃত একটি প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও আমাদের প্রতিষ্ঠান সব সময়ই নতুন একটি প্রতিষ্ঠানের মতোই উদ্যমী ও ব্যতিক্রমধর্মী। সত্যি কথা বলতে এটা সবেমাত্র শুরু’। 

প্রসঙ্গত, ওয়াশিংটনের সিয়াটলে ছোট একটি গ্যারাজের মধ্যে বই এর দোকান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই প্রতিষ্ঠানটি নাম পরিবর্তন করে অ্যামাজন রাখে এবং ১৯৯৫ সালে তাদের প্রথম বইটি বিক্রি করে। ঐ বছরেরই শেষ নাগাদ অ্যামাজন সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে বই বেচাকেনা শুরু করে। ১৯৯৭ সালের শুরুর দিকে অ্যামাজন সর্বজনবিদিত একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। 

গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটি তাদের মুনাফার প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছে এবং ওয়্যারহাউজ, ডাটা সেন্টার এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কে ব্যপক বিনিয়োগ করে আসছে। 

প্রতিষ্ঠানটির প্রযুক্তি বিশ্লেষক রব এন্ডারলে বলছেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্জিত প্রতিটি অর্থ সম্পূর্ণরূপে কোম্পানিতেই ফিরে আসে, তাই প্রবৃদ্ধি কমার কোন সুযোগ ও থাকেনা’।

নিল সন্ডার্স বলেছেন, ‘অ্যামাজনের এত সফলতার মূলে রয়েছে এর উদ্ভাবনী শক্তি। উদ্ভাবনী শক্তির এরকম চর্চ্চা আর কোন প্রতিষ্ঠানের নেই’।