• শনিবার, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৮ বিকেল

নিজস্ব ব্যবস্থাপনাতে বাংলাদেশে আসছে ইউটিউব

  • প্রকাশিত ১১:১৫ সকাল সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮
ইউটিউব
ছবি: সংগৃহীত।

এই অফিস চালু হলে ইউটিউব ৬১ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে তাদের কার্যালয় চালু করবে।

নিজস্ব ব্যবস্থাতেই ভিডিও শেয়ারিং পোর্টাল ইউটিউব সরাসরি বাংলাদেশে আসছে বলে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানানো হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই অফিস চালু হলে ইউটিউব ৬১ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে তাদের কার্যালয় চালু করবে।    

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী বলেন, ‘ইউটিউব আমাকে জানিয়েছে স্থানীয় আইন মেনেই ওরা অফিস করবে। এজন্য ওদের কারও সহায়তা বা পৃষ্ঠপোষকতা লাগবে না।ওদের নয় ওরা বাংলাদেশের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ফলো করবে বলে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে’।

বাংলাদেশে ইউটিউবের অফিস চালু হলে এসদেশের মানুষের জন্য ইউটিউব একসেস আরও সহজ হয়ে যাবে উল্লেখ করে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওদের বৈঠক করার কথা ছিল। কিন্তু, ওরা আমাকে ওদের ইতিবাচক মনোভাব জানিয়ে দিয়েছে তাই বৈঠকের আর প্রয়োজন নেই। তবে, আগামীতে অফিসিয়াল ভিজিট হতে পারে’।

এসময় তিনি বাংলাদেশে ইউটিউবের একটি ভাল বাজার রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ‘দেশের কয়েকটি টিভি চ্যানেলের ইউটিউব চ্যানেল ভালো করছে। এগুলোতে দৃষ্টি পড়েছে ইউটিউব কর্তৃপক্ষের। তারা মনে করছে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে তাদের ভালো একটা বাজার হবে, কনটেন্টের হাব হবে। এমনকি বিজ্ঞাপনের বাজারকেও তারা বিশাল সম্ভাবনাময় বলেও মনে করছে’।

উল্লেখ্য নিজেদের নতুন অফিস খোলার ক্ষেত্রে ইউটিউব সচরাচর কারও সাহায্য চায় না। কর্তৃপক্ষ যদি কাউকে প্রয়োজন মনে করে তাহলে নিজে থেকেই তার সাথে সংযোগ স্থাপন করে থাকে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ইউটিউবের ট্রাস্টেড ফ্ল্যাগার প্রেনিউর ল্যাব-এর প্রধান নির্বাহী আরিফ নিজামী বলেন, ‘ইউটিউব যে দেশেই যায় সেখানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনাতেই যায়। তবে স্থানীয় আইন তারা মেনে চলে। তবে মধ্যস্থতাকারীর কোনও ধার ধারে না এই পোর্টালটি’।  

উল্লেখ্য, ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে বাংলাদেশ অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার কারণে দেশের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ফেসবুক, ইউটিউবে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখছে। এই বিষয়টিকেই ইউটিউব গুরত্ব সহকারে বিবেচনা করে বিষয়টি আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। যার প্রেক্ষিতে তারা বাংলাদেশে অফিস স্থাপন করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

এবিষয়ে আরিফ নিজামী বলেন, ‘দেশে ইউটিউবের বাজার বড় হচ্ছে। কনটেন্ট বাড়ছে। বিদেশি বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি দেশি বিজ্ঞাপনও বাড়ছে। তবে টাকার অংকটা ঠিক এখনই বলা যাবে না’।

এদিকে, দেশের একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলের অনলাইন ভার্সনের প্রধান বলেন, ‘ইউটিউব দেশে এলে ভালো কিছুই হবে। কোনও সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করা যাবে। নতুন নতুন ব্যবসার দ্বার উন্মুক্ত হবে’।    

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে জানা গিয়েছিল বাংলাদেশ থেকে গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউব বছরে হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।