• মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩১ দুপুর

মোস্তাফা জব্বার: দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় সাড়ে ৯ কোটি

  • প্রকাশিত ০৭:৫৪ রাত জুলাই ৯, ২০১৯
ডাক, টেলিযোগাযোগ  মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ছবি: মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন (ফাইল ছবি)।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ চার্জ ২০০৮ সালের ২৭ হাজার টাকা কমিয়ে বর্তমানে সর্বনিম্ন ১৮০ টাকা ধার্য করা হয়েছে

দেশে বর্তমানে ৯ কোটি ৪৪ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৬০ লাখ।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম. আবদুল লতিফের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি খাতে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিঃ (বিটিসিএল) অত্যন্ত সুলভমূল্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে আসছে।
তিনি বলেন, সর্বস্তরে ইন্টারনেট সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিটিসিএল ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইথ চার্জ বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে কমানো হয়েছে। প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ চার্জ ২০০৮ সালের ২৭ হাজার টাকা কমিয়ে বর্তমানে সর্বনিম্ন ১৮০ টাকা ধার্য করা হয়েছে।
সরকারি দলের সদস্য আয়েন উদ্দিনের অপর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার জানান, বর্তমানে দেশে বিটিসিএল’র প্রদানকৃত ফোনের সংখ্যা ৫ লাখ ৮৫ হাজার।
তিনি বলেন, নতুন সংযোগের জন্য নির্ধারিত ফর্মে ৫ কপি ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিসহ আবেদন করতে হয়। ফরমটি বিটিসিএল’র ওয়েব সাইটে এবং স্থানীয় টেলিফোন অফিসে পাওয়া যায়। এছাড়া ডিমান্ড নোট পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে সংযোগ প্রদান করা হয়।
মন্ত্রী জানান, ঢাকা মাল্টি এক্সচেঞ্জ এলাকায় ২ হাজার ১৫০ টাকা (জামানত ১ হাজার ও সংযোগ ফি ১ হাজার ১৫০ টাকা), চট্টগ্রাম মাল্টি এক্সচেঞ্জ এলাকায় ১ হাজার ৭৫ হাজার (জামানত ৫শ’ ও সংযোগ ফি ৫৭৫ টাকা) এবং দেশের অন্যান্য স্থানে ৬৪৫ টাকা (জামানত ৩৪৫ ও সংযোগ ফি ৩শ’ টাকা) সংযোগের জন্য খরচ হয়।