• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২২, ২০২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১৩ বিকেল

জেনে নিন বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত দশটি মোবাইল অ্যাপস

  • প্রকাশিত ০৫:৩৫ সন্ধ্যা নভেম্বর ১৯, ২০১৯
স্মার্টফোন অ্যাপ
প্রতীকী ছবি/পেক্সেলস

গত এক দশকে বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত দশটি অ্যাপসের বিবরণ তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে

প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই সময়ে এসে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়ে গেছে বহুগুণে। দিন দিন মানুষের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে এই ডিভাইস। স্মার্টফোনের এই জনপ্রিয়তার পেছনে প্রধানতম কারণ বিভিন্ন ধরনের অ্যাপসের ব্যবহার। প্রতিদিন অ্যাপস স্টোর থেকে লাখ লাখ অ্যাপ ডাউনলোড করছেন ব্যবহারকারীরা।

দেখা গেছে, একেক সময় একেকটি অ্যাপ জনপ্রিয়তার শীর্ষে আসে আবার কিছুদিন পরে সেটা হারিয়েও যায়। আবার দীর্ঘদিন ধরে বহুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে এমন কিছু অ্যাপসও রয়েছে। যেসব অ্যাপস মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এনেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন ক্রমান্বয়ে সেগুলোর ব্যবহার বেড়েছে।

গত এক দশকে বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত দশটি অ্যাপসের তালিকা তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে-

উবার

২০১১ সালে প্রথমবারের মতো অ্যাপ স্টোরগুলোতে উন্মুক্ত করা হয় উবার। গাড়ি ভাড়ার এই অ্যাপসটি সৃষ্টি করেছে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। উবারের দেখানো পথেই তৈরি হয়েছে “রাইডশেয়ারিং” নামে নতুন এক শ্রমবাজার। এরপর একে একে এসেছে একই ধরনের অ্যাপ লিফট, উইঙ্গস ইত্যাদি। বাংলাদেশে উবারের পাশাপাশি রাইডশেয়ারিং সেবা দিচ্ছে পাঠাও, সহজের মতো প্রতিষ্ঠান। তবে এই অগ্রযাত্রার অগ্রপথিক হিসেবেই টিকে আছে উবার। প্রতিদিন পৃথিবীর ৬৩টি দেশের ৭৮৫ টি শহরের প্রায় ১১ কোটি স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ব্যবহার করছেন এই অ্যাপ।

ইন্সটাগ্রাম

২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ছবি ও ভিডিও শেয়ারিংয়ের এই অ্যাপ। দুই বছরের মাথায় অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে অ্যাপস। ২০১৯-এ এসে বিশ্বব্যাপী এই অ্যাপস ব্যবহার করছেন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ। সাম্প্রতিককালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ইস্যুগুলোর বেশিরভাগই ছড়িয়েছে ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে। ২০১৫ সালে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে এই অ্যাপসটির সত্ব কিনে নেয় ফেসবুক।

টিন্ডার

সন্দেহ আর ভীতির একযুগ আগেও “অনলাইন ডেটিং” যেন ছিলো নিষিদ্ধতার প্রতিশব্দ। ’৯০-এর দশকে কারও সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় হলে বিষয়টি বন্ধু-স্বজনদেরকে জানাতেন না কেউই। কিন্তু ২০১০ সালে এসে কিছু ডেটিং ওয়েবসাইট আত্মপ্রকাশ করে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০১২ সালে অ্যাপস মার্কেটপ্লেসে আসে টিন্ডার। এরপর থেকেই তরুণরা ব্যাপক হারে ঝুঁকে পড়েন তরুণরা।

স্ন্যাপচ্যাট

২০১১ সালে আত্মপ্রকাশ করে স্ন্যাপচ্যাট। স্বল্পসময়ের ব্যবধানে এটি পরিণত হয় বহুল ব্যবহৃত ছবি, ভিডিও ও মেসেজ শেয়ারিংয়ের মাধ্যম হিসেবে। প্রতিদিন গড়ে এই প্ল্যাটফর্মে শেয়ার হয় ২১ কোটি ভিডিও আর সেগুলো দেখা হয় হাজার কোটিরও বেশিবার।

পোকেমন গো

স্মার্টফোনের দুনিয়ায় প্রতিদিনই আসছে নিত্যনতুন গেমস। কোনো কোনো গেম ছাড়িয়ে যাচ্ছে আগের সব গেমসের জনপ্রিয়তাকে। তুমুল এই প্রতিযোগিতায় ২০১৬ সাল থেকে এখনও টিকে আছে পোকেমন গো গেমটি। এখন পর্যন্ত শতকোটি বারেরও বেশি ডাউনলোড হয়েছে গেমসটি। গেমটি বিনামূল্যে উপভোগ করা যায়। তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে অর্থের বিনিময়ে অধিকতর সুবিধা পেতে পারেন।

ক্যান্ডি ক্র্যাশ সাগা

স্মার্টফোনের দুনিয়ায় ক্যান্ডি ক্র্যাশ সাগা আরেকটি বহুল জনপ্রিয় গেম। ২০১২ সালে এটি আত্মপ্রকাশ করে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ২৭০ কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে গেমটি।

অ্যাপল পে

কয়েক দশক আগে রচিত সায়েন্স ফিকশনগুলোতে নোট-কয়েন বহনের ঝামেলা থেকে মুক্তির আকাঙ্খার কথা দেখা যেতো। ২০১৪ সালে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয় করে অ্যাপল। এই অ্যাপ ব্যবহারের সহজলভ্যতা আর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্রুতই ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়। ডিজিটাল ওয়ালেট খ্যাত অ্যাপল পে'র দেখানো পথ ধরে একে একে আসতে শুরু করে গুগল পেসহ আরও অনেকে। বাংলাদেশেও রয়েছে একাধিক ডিজিটাল ওয়ালেট।

ভাইন

মানুষ নিত্যনতুন বিনোদনের খোরাক চায়। আবার আধুনিক যুগে মানুষের হাতে সময়ও কম। তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে সিনেমা আজকাল মানুষ দেখতে অনাগ্রহী। তাই মানুষকে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও সরবরাহের উদ্দেশ্য নিয়ে ২০১৩ সালে অ্যাপ স্টোরে আত্মপ্রকাশ করে ভাইন। আশ্চর্যজনকভাবে চার বছর সাফল্যের সঙ্গে চলার পর ২০১৭ সালে বন্ধ হয়ে যায় এটি। কিছুদিন পর এর জায়গা দখল করে টিক-টক নামে একই ধরনের একটি চীনা অ্যাপ। ভাইনের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ২০ কোটি।

সিরি

অনলাইনে নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডের কোনো তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে ২০১১ সালের আগ পর্যন্ত মুঠোফোন ব্যবহারকারীদের একমাত্র উপায় ছিল টাইপিং। এরপর আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপল নিয়ে আসে সিরি অ্যাপ। ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে এই অ্যাপের সাহায্যে কাঙ্খিত তথ্য খুঁজতে পারেন ব্যবহারকারীরা। অ্যাপলের সিরি'র পর একে একে স্যামসাং, গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে আসতে শুরু করে ভয়েস সার্চ অ্যাপ। কিন্তু এই পথচলার অগ্রপথিক হিসেবে এখনও সবেচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় সিরি।

ফেসটাইম

অ্যাপল কর্পোরেশনের অন্যান্য অনেক বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় অ্যাপের মতো আরেকটি অ্যাপ ফেসটাইম। এর কাজ মূলতঃ ভিডিও কলিং। এই অ্যাপের আগেও ভিডিও কলের জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হতো। কিন্তু ২০১০ সালের মাঝামাঝি মুঠোফোনে ভিডিও কলিং অ্যাপস ফেসটাইম উন্মুক্ত করে অ্যাপল। এর মাধ্যমে অফলাইনে থাকা অপর প্রান্তের ব্যবহারকারীকেও ভিডিও বার্তা পাঠানো যেতো। এরপর ধীরে ধীরে নতুন সব ফিচার সংযুক্ত হয়েছে এই অ্যাপে।

50
Facebook 50
blogger sharing button blogger
buffer sharing button buffer
diaspora sharing button diaspora
digg sharing button digg
douban sharing button douban
email sharing button email
evernote sharing button evernote
flipboard sharing button flipboard
pocket sharing button getpocket
github sharing button github
gmail sharing button gmail
googlebookmarks sharing button googlebookmarks
hackernews sharing button hackernews
instapaper sharing button instapaper
line sharing button line
linkedin sharing button linkedin
livejournal sharing button livejournal
mailru sharing button mailru
medium sharing button medium
meneame sharing button meneame
messenger sharing button messenger
odnoklassniki sharing button odnoklassniki
pinterest sharing button pinterest
print sharing button print
qzone sharing button qzone
reddit sharing button reddit
refind sharing button refind
renren sharing button renren
skype sharing button skype
snapchat sharing button snapchat
surfingbird sharing button surfingbird
telegram sharing button telegram
tumblr sharing button tumblr
twitter sharing button twitter
vk sharing button vk
wechat sharing button wechat
weibo sharing button weibo
whatsapp sharing button whatsapp
wordpress sharing button wordpress
xing sharing button xing
yahoomail sharing button yahoomail