• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

মোটোরোলা রেজর বনাম স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড

  • প্রকাশিত ১০:২৬ রাত নভেম্বর ১৯, ২০১৯
স্যামসাং
স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড মোবাইল ফোন। ছবি: সংগৃহীত

ফ্যাশনেবল মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের মন জয় করতে ফোল্ডেবল ফোনগুলোকে বড় চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তেমনটাই ঘটেছে বর্তমান সময়ের ফোল্ডেবল মোবাইল ফোন মোটোরোলা রেজর ও স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড মোবাইলের ক্ষেত্রে

ফোল্ডেবল মোবাইল ফোনের মধ্যে চমৎকার একটি ফোন হচ্ছে মোটোরোলা রেজর-২০১৯। ট্যাবলেট আকারের ফোল্ডেবল ফোনগুলোর মধ্যে রেজর ফোল্ড হয়ে সাধারণ স্মার্টফোনের অর্ধেক আকারের হয়ে যায়। যা ফোল্ডেবল ফোনগুলোকে বিভিন্ন আকারে বদলে নেওয়া যায়।

ফ্যাশনেবল মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের মন জয় করতে ফোল্ডেবল ফোনগুলোকে বড় চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তেমনটাই ঘটেছে বর্তমান সময়ের ফোল্ডেবল মোবাইল ফোন মোটোরোলা রেজর ও স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড মোবাইলের ক্ষেত্রে। 

ব্যাপারটা অবশ্য একদম হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মত নয়। রেজর ফোন একদিকে যেমন আকারে ছোট করেছে। অন্যদিকে স্যামসাং যতটুকু সম্ভব ডিসপ্লে বড় করার চেষ্টা করেছে। 

রেজর সহজেই বহনযোগ্য এবং এর মূল আকর্ষণ ব্যাপার হচ্ছে এটি মাঝখানে ভাঁজ হয়ে সাধারণ স্মার্ট ফোনের ডিসপ্লের অর্ধেকে নিয়ে আসে। ফলে এটি পকেটে কিংবা হাতে খুব সহজেই বহন করা যায়। আর এ কারণেই সহজেই সবার নজরে পড়ে এই মোবাইলটি। 

মোটোরোলা রেজর মোবাইল ফোন। ছবি: সংগৃহীত

অন্যদিকে স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড সাধারণ স্মার্টফোনের সমান আকারের হয়ে পাশাপাশি ফোল্ড হয়। তবে এটি খোলার পর ট্যাবলেটের আকার ধারণ করে। মোটোরোলার থেকে সম্পূর্ণ উল্টো এই বৈশিষ্ট্যটি স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড মোবাইলকে চমকপ্রদ করে তুলেছে। 

আনফোল্ড অবস্থায় রেজরের ডিসপ্লে ৬.২ ইঞ্চি এবং ফোনটির পুরুত্ব ১৪ মিলিমিটার। ফোন্ড অবস্থায় এর ডিসপ্লে ২.৭ ইঞ্চি। ফোনটির সামনের দিকেও একটি ছোট ডিসপ্লে আছে। এর পেছনের ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেল ও ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। তবে ফোল্ড অবস্থায় মেইন ক্যামেরাই ফ্রন্ট ক্যামেরা হিসেবে কাজ করে।

তবে ভালো ভালো কিছু বিষয়ের মধ্যেও হতাশার মতো কিছু ব্যাপারও আছে। যেমন এই ফোনটির লক বাটন ও ভলিয়ম বাটনের অবস্থান এবং এয়ারফোন জ্যাক না থাকা। সবচেয়ে হতাশার ব্যাপার ফোনটিতে মেমোরি বাড়ানোর কোনো সুবিধা নেই। 

এদিক দিয়ে স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড এগিয়ে গেছে। সাধারণ ফোনের সমান ডিসপ্লে, আনফোল্ড অবস্থায় যার আকার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। শুরুর দিকে ডিসপ্লের যে সমস্যা হয়েছিল, সেটিরও সমাধান করা হয়েছে নতুন ফোনগুলোতে।

ফোনটিতে সুপার এমোলেড ডিসপ্লে, ১২ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা, ১২ মেগাপিক্সেল টেলিফোটো লেন্স এবং একটি আল্ট্রাওয়াইড লেন্স, যা সমসাময়িক ফোনগুলো থেকে এই ফোনটিকে অদ্বিতীয় করে তুলেছে।