• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০২ রাত

এবার ফেসবুক কর্মীদের তথ্য চুরি!

  • প্রকাশিত ০৫:২৬ সন্ধ্যা ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯
ফেসবুক
রয়টার্স

খোয়া যাওয়া হার্ডড্রাইভে ২০১৮ সালে ফেসবুকে নিয়োগকৃত কর্মীদের নাম, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, সামাজিক সুরক্ষা নম্বরের শেষ চার সংখ্যা, বেতন ও বোনাস কাঠামো ইত্যাদি বিষয়াদি ছিলো

ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরির ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এবার শোনা গেলো, ফেইসবুকের কর্মীদের তথ্য চুরি হওয়ার খবর। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তথ্য চুরির ঘটনা এখন আর নতুন কিছু নয়! এতদিন ব্যবহারকারী বা গ্রাহকদের তথ্য চুরি হলেও এবার খোদ প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদেরই তথ্য চুরি যাওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তাও আবার দু-চারজনের নয়, ২৯ হাজার ফেসবুক কর্মচারীর তথ্য চুরির খবর প্রকাশ পেয়েছে! বিষয়টি ই-মেইল করে কর্মীদের জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

গত ১৭ নভেম্বর চুরি হওয়ার প্রায় একমাস পর কর্মচারীদের জানালো প্রতিষ্ঠানটি। মেইলে ফেসবুক তার কর্মীদের জানিয়েছে, ২৯ হাজার কর্মচারীর তথ্য সংরক্ষিত কয়েকটি হার্ডড্রাইভ এনক্রিপ্ট না করা অবস্থায় চুরি হয়েছে। এক ফেসবুক কর্মীর গাড়ি থেকে সেগুলো চুরি হয়।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, খোয়া যাওয়া হার্ডড্রাইভে ২০১৮ সালে ফেসবুকে নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষিত ছিল। এসব তথ্যের মধ্যে কর্মীর নাম, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, সামাজিক সুরক্ষা নম্বরের শেষ চার সংখ্যা, বেতন ও বোনাস কাঠামো এবং ইক্যুইটি ইত্যাদি বিষয়াদি ছিলো। তবে হারিয়ে যাওয়া হার্ডড্রাইভগুলোতে ব্যবহারকারীদের কোনো তথ্য ছিল না বলে জানিয়েছে ফেসবুক।

তারপরেও এ ঘটনা তথ্যের নিরাপত্তার ইস্যুতে ফেসবুককে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। ফলে তথ্য ফাঁসের নানা অভিযোগের মধ্যে ঘুরে ফিরে প্রতিষ্ঠানটির দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে। গত ২০ নভেম্বর হার্ডড্রাইভ চুরির বিষয়টি জানতে পারে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এর ৯ দিন পর প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত হয় যে, চুরি যাওয়া ড্রাইভগুলোতে কেবল কর্মীদের তথ্যই ছিল। এরপরই হার্ডড্রাইভগুলো পুনরুদ্ধারে পুলিশের দ্বারস্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি। পুলিশ কাজ চালিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়নি।

ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এটি একটি সাধারণ চুরির ঘটনা, কর্মীদের তথ্য হাতিয়ে নিতে এটি করা হয়নি। এবিষয়ে তদন্ত চলছে।