• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ০৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:২১ বিকেল

আগামী বছর চালু হবে ফাইভ-জি

  • প্রকাশিত ১০:৫৬ রাত জানুয়ারী ২, ২০২০
ফাইভ জি
প্রতীকী ছবি সৌজন্য

বকেয়া টাকা পরিশোধ না করলে গ্রামীণফোন ও রবিকে এনওসি দেওয়া বন্ধ থাকবে বলে জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান

দেশে ২০২১ সালের শুরুতে মোবাইল ফোনে ফাইভজি ইন্টারনেট সেবা চালুর জন্য চলতি বছরে প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান জহুরুল হক।

তিনি বলেন, "ফাইভজি চালু করতে আমরা এ বছর প্রস্তুতি নেব এবং ২০২১ সালের শুরুতে তা চালু করব। আমরা এ বছর গুণগত সেবার প্রতিও বেশি গুরুত্ব দেব।"

বিটিআরসি প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে বছরের প্রথম মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।

গুণগত সেবা প্রসঙ্গে বিটিআরসি চেয়ারম্যান জানান, অপারেটরদের স্পেকট্রাম কম এবং জন্য সমস্যা হয়। "দামের কারণে অপারেটররা স্পেকট্রাম ক্রয় করছে না। দাম কমানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে তা করতে হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন দিতে হবে।"

দাম কী পরিমাণ কমানো হবে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, "দাম কত কমাতে হবে সে বিষয়ে অপারেটররা আমাদের কাছে প্রস্তাব দিলে সে অনুযায়ী দাম কমানো যায় কি না তার প্রস্তাব আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ে দেব।"

সীমান্তে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে আবার চালুর বিষয়ে জহুরুল হক বলেন, অপপ্রচার রোধে সরকারের উচ্চমহলের নির্দেশে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। "কিন্তু পরে দেখি মানুষের সমস্যা হচ্ছে, তখন সরকারের সাথে কথা বলে আবার খুলে দিয়েছি।"

গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা টাকা নিয়ে বিটিআরসির সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "বকেয়া টাকা আদায়ে আদালতের আদেশ অনুসরণ করছি। হাইকোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে গ্রামীণফোনকে আপাতত ২ হাজার কোটি টাকা জমা দিতে।"

বকেয়া টাকা পরিশোধ না করলে গ্রামীণ ও রবিকে এনওসি দেওয়াও বন্ধ থাকবে বলে জানান চেয়ারম্যান। তারপরও টাকা না দিলে তিন মাস পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

গ্রামীণফোন ও রবি টাকা না দিলে প্রশাসক নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত ছিল তা এখনো বহাল আছে কি না জানতে চাইলে জহুরুল হক বলেন, "হ্যাঁ আছে, আইন অনুযায়ী যা যা করার দরকার তাই করব।"

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির মহাপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন) ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাহফুজুল করিম ভুঁইয়া জানান, মোবাইল অপারেটররা গুণগত সেবা বজায় রাখতে না পারলে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, "কল ড্রপ বেড়েছে এবং ডাটার গতি কমেছে, এটি সত্য। আমরা গুণগত সেবা নিশ্চিত করতে চাই। সে জন্য নিয়মিত ড্রাইভ টেস্ট করে থাকি। আমরা অপরেটরদের ডেকে বলে দিয়েছি, সময় দিয়েছি গুণগত সার্ভিস নিশ্চিত করতে।"

মোবাইল টাওয়ার থেকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিকিরণ নিয়ে মাহফুজুল করিম জানান, এ তথ্য সঠিক নয়। তারা ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরসহ বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা চালিয়ে এমন কিছু এখনো পাননি।