• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৮ সকাল

শ্রেষ্ঠ আইসিটি নারী উদ্যোক্তা পুরস্কার পেলেন মালিহা

  • প্রকাশিত ০৩:২১ বিকেল জানুয়ারী ৯, ২০২০
আইসিটি নারী উদ্যোক্তা
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে শ্রেষ্ঠ আইসিটি নারী উদ্যোক্তার সম্মাননা নিচ্ছে মালিহা এম কাদির সৌজন্য

তৃতীয় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মালিহার হাতে ‘শ্রেষ্ঠ আইসিটি নারী উদ্যোক্তা’ পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার ও প্রয়োগের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শ্রেষ্ঠ আইসিটি নারী উদ্যোক্তার পুরস্কার পেয়েছেন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম “সহজ”-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিহা এম কাদির।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তৃতীয় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মালিহার হাতে ‘‘শ্রেষ্ঠ আইসিটি নারী উদ্যোক্তা’’ পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আইসিটি প্রোমোশন শাখার আয়োজনে তৃতীয় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস-২০১৯ এর সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তথ্য-প্রযুক্তি ও ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এই সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অন্যতম বড় অনলাইন প্লাটফর্ম সহজ এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিহা এম কাদির। যুক্তরাষ্ট্রের স্মিথ কলেজ থেকে অর্থনীতি, কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক এবং হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ করার পরে তিনি কাজ করেছেন মরগান স্ট্যানলি, নোকিয়া এবং ভিস্টাপ্রিন্টের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে।

২০১৪ সালে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটালাইজড টিকিটিং সেবা ‘‘সহজ’’ প্রতিষ্ঠা করেন। এই সেবার মাধ্যমে ঘরে বসেই যে কেউ কিনতে পারছেন বাস-লঞ্চ সহ বিভিন্ন ইভেন্ট ও মুভি টিকিট। ২০১৮ সালের মার্চে সহজ আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশে রাইড শেয়ারিং সেবা চালু করে। যা সম্প্রতি পেয়েছে বিআরটিএ এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট।

সহজ ফুড সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহক ঘরে বসেই তার মুড অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারছেন ফুড যা ডেলিভারি পাবেন তার দোরগোড়ায়। সহজ হয়ে উঠছে সুপার অ্যাপ; এক অ্যাপেই যেখানে পাওয়া যাচ্ছে অনেক সেবা। দেশীয় অনলাইন প্লাটফর্ম হিসেবে নানামুখী সেবা নিয়ে সহজ ব্যবহারকারীদের জীবনকে করছে আরো সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়, সৃষ্টি করছে হাজারো কর্মসংস্থান, অবদান রাখছে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা ঘোষিত “রূপকল্প ২০২১”-এর মূল শিরোনাম ছিল ‘‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’’। ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বিপ্লবের ঘোষণা আসে। ২০১৮ সাল থেকে দিনটি ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে।