• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩৮ সকাল

প্লাস্টিক বর্জ্যের তথ্য জানাবে অ্যাপ

  • প্রকাশিত ০১:১৪ দুপুর জানুয়ারী ১৩, ২০২০
প্লাস্টিক বর্জ্য
ফাইল ছবি। মেহেদি হাসান/ঢাকা ট্রিবিউন

গতবছর বাংলাদেশের শহরগুলোতে সৃষ্টি হওয়া প্লাস্টিকের বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ২১ হাজার ২৫০ টন

ব্যক্তিপর্যায়ে প্লাস্টিক বর্জ্যের তথ্য ভাণ্ডার তৈরির লক্ষ্যে একটি ওয়েব অ্যাপলিকেশন চালু করেছে তথ্য সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রকল্প ডেটাফুল।

"প্লাস্টিক ট্রাকার" নামের ওই ওয়েব অ্যাপলিকেশনটি স্বতন্ত্রভাবে প্লাস্টিক বর্জ্যের তথ্য সংরক্ষণ করবে। যেখান থেকে ব্যবহারকারীরা যেকোন সময় প্লাস্টিক বর্জ্য বিষয়ক তথ্য জানতে পারবেন।

ডেটাফুল প্রকল্পের প্রধান পলাশ দত্ত বলেন, "মানুষকে তাদের প্লাস্টিক বর্জ্য সম্পর্কে জানতে সাহায্য করা এবং পরিবেশের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই অ্যাপলিকেশনের মূল লক্ষ্য।"

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে পরিবেশের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্লাস্টিক বর্জ্য। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়েস্ট কনসার্নের জরিপের বরাত দিয়ে এক বিবৃতিতে ডেটাফুল জানায়, গত বছর বাংলাদেশের শহরগুলোতে সৃষ্টি হওয়া প্লাস্টিকের বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ২১ হাজার ২৫০ টন। যারমধ্যে মাত্র ৩৬ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য (রিসাইকেল) ছিল।

এর আগে ২০১৭ সালে বাংলাদেশিরা স্বতন্ত্রভাবে গড়ে ১৭ দশমিক ২৪ কেজি প্লাস্টিকের পণ্য ব্যবহার করেন জরিপের ফলাফলে বলা হয়।

২০১৬ সালের এক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, ২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রে মাছের চেয়ে প্লাস্টিক বেশি থাকবে। জাতিসংঘ বলছে, বিশ্বজুড়ে প্রতি মিনিটে ১০ লাখ প্লাস্টিকের পানীয় বোতল কেনা হয় এবং প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ৫ ট্রিলিয়ন পর্যন্ত প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার করা হয়।

জাতিসংঘ জানায়, উৎপাদিত সব প্লাস্টিকের মধ্যে অর্ধেকই তৈরি করা হয় মাত্র একবার ব্যবহার (ওয়ান টাইম) করার জন্য।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার উপকূলীয় এলাকাসহ সারাদেশে একবছরের মধ্যে পলিথিন ব্যাগ ও ওয়ান টাইম প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।