Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঋণ করে নাসায় যাচ্ছে শাবির ‘টিম অলিক’

আত্মীয়-স্বজনদের কাছে ঋণ করে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসায় যাচ্ছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘টিম অলীক’র সদস্যরা  

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৩, ১০:৪৪ পিএম

অবশেষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে ঋণ করে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা “নাসা”য় যাচ্ছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) “টিম অলীক”র সদস্যরা।

২০১৮ সালে “নাসা”র আন্তর্জাতিক স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বের ৭৯টি দেশের দুই হাজার ৭২৯টি টিমের সঙ্গে প্রতিদ্বন্ধিতা করে চ্যাম্পিয়ন হয় “টিম অলীক”। পরে ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো নাসায় যাওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয় টিমের সদস্যদের। তবে ভিসা জটিলতায় সেবার যাওয়ার সুযোগ পাননি তারা।

আবারও দ্বিতীয়বারের মতো গত বছরের ২ ডিসেম্বর তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তাদের ভিসাও দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। এবার আর্থিক সমস্যায় পড়ে ফের যাওয়া-না যাওয়ার দোলাচালে পড়েন টিমের সদস্যরা। অবশেষে কোনো স্পন্সর না পেয়ে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে ঋণ করে টিকেট বুকিং করার কথা জানালেন তারা।

টিমের সদস্যরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এস এম রাফি আদনান, ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কাজী মইনুল ইসলাম ও আবু সাবিক মেহেদী ও একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হাসান।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) টিমের অন্যতম সদস্য কাজী মইনুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমরা নাসায় যাচ্ছি, এটা নিশ্চিত। স্পন্সর না পাওয়ায় আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ করে টিকেট বুকিং দিয়েছি।” 

মইনুল বলেন, “আমরা স্পন্সর পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাঙালি কমিউনিটি আমাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে। আমাদের মোট খরচ লাগবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা।” 

তিনি জানান, তাদের আবাসনের ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাঙালিরা। ১২ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করবেন। ১৫ ও ১৬ মার্চ ওয়াশিংটনে নাসার সদর দপ্তরে তাদের প্রোগ্রাম হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছিলেন কি-না জানতে চাইলে মইনুল বলেন, “শুরু থেকেই আমরা বেসরকারি স্পন্সর খুঁজেছি। যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো সহযোগিতা চাওয়া হয়নি।”

শাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফজলুর রহমান বলেন, “এ বিষয়ে তারা আমাদের কোনোভাবে অবহিত করেননি। অবহিত করলে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতো।”

About

Popular Links