স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ‘‘চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, যা বলা হচ্ছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজনের (অপু) যে স্টেটমেন্ট নেওয়া হয়েছে, তা জোর করে নেওয়া হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।”
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘‘তার (অপু) স্টেটমেন্টে আমার নাম আসার পর এক রকম অবাক হয়েছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। তার স্ত্রী পরিচয়ে একজন আজ বলেছেন, তাকে জোর করে গুম করে স্টেটমেন্ট নেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকেও এমন শুনছি যে, গুম করে নিয়ে এমন স্টেটমেন্ট নেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের পর এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।’’
এর আগে রাজধানী ঢাকার গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্যর বাসায় চাঁদাবাজির ঘটনায় ওই মামলায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপুর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
৩৫ মিনিটের ওই ভিডিওতে অপুকে বলতে শোনা যায়, ‘‘গুলশানে চাঁদাবাজির ঘটনায় টাকার ব্যাগ নিতে যে ছেলেকে দেখেছেন, সেটা আমি। আপনার একটি ফুটেজের মাধ্যমে দেখেছেন যে সমন্বয়করা চাঁদাবাজিতে জড়িত। যে সমন্বয়ক গত বছর ছিল মহানায়ক, তারা হয়ে গেল চাঁদাবাজ। আমার কিছু প্রশ্ন আছে। আপনারা কি জানেন, ওইদিন ভোর ৫টায় ওই জোনের ডিসি-এসিকে অবগত করে একদম অফিসিয়াল প্রসেসে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে শাম্মির (সাবেক সংসদ সদস্য) বাসায় আমরা অভিযান চালাই। আপনারা কি জানেন, সেই অভিযানে যাওয়ার আগে গুলশানের কোনো একটি জায়গায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সঙ্গে আমার কথা হয়।”
এ বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘‘আমি মাঝে মধ্যেই রাতে যখন কাজ শেষ হয়, কখনো কখনো ভোরও হয়ে যায়, ওই সময়ে আসলে রাতের খাওয়া-দাওয়া দেওয়ার মতো কেউ থাকে না। আমি বেশির ভাগ সময় যাই ৩০০ ফিটের নীলা মার্কেট বলে একটা জায়গায়। ওখানে হাসের মাংস খুব ভালো পাওয়া যায়। তো ওখানে হয়তো যাই চার-পাঁচজন মিলে। ওটা আবার বেশি ভোর হয়ে গেলে বন্ধ থাকে। তখন ওদিকে ওয়েস্টিনে যাওয়া হয়। তবে এক্সাক্ট ওইদিন আমি গিয়েছিলাম কি না, সেখানে ছিলাম কি না এটা আমার মনে নাই।”