সাদা পাথর কাণ্ডে সিলেট জেলায় অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে সিলেট জেলা প্রশাসনের পাঠানো এক আদেশে সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে বালু-পাথর উত্তোলন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, “যেহেতু সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোর প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনায় এলাকা থেকে কতিপয় ব্যক্তি অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন, সংরক্ষণ, পরিবহন, লুণ্ঠন ও পাচারের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন এবং যেহেতু প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ পর্যটন সম্ভাবনাময় এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে সেহেতু সিলেট জেলা অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন, সংরক্ষণ পরিবহন ও বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।”
আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৮, ৯ ও ১০ আগস্ট ভোলাগঞ্জের পর্যটন এলাকা সাদা পাথর থেকে বিপুল পরিমাণ পাথর চুরি হয়। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সিলেটের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে ওএসডি ও কোম্পানীগঞ্জ থানার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুন্নাহারকে ফেঞ্চুগঞ্জে বদলি করা হয়।
এ ঘটনায় এরই মধ্যে জেলা প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের রিপোর্ট দাখিল করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনও একটি রিপোর্ট দাখিল করেছে। মন্ত্রিপরিষদের উদ্যোগে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটিও বিষয়টি তদন্ত করছে। প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে পাথর। এ অবস্থায় সিলেটে বালু-পাথর উত্তোলনের ওপর নিষেধাজ্ঞা এলো।